অন্যের স্বপ্ন পূরণ যাত্রায় একাগ্ৰ "স্কাউট"

অন্যের স্বপ্ন পূরণ যাত্রায় একাগ্ৰ "স্কাউট"
ছবি: সংগৃহীত

তানভীর আহমেদ,জবি প্রতিনিধি।।স্বপ্ন পূরণ যাত্রায় যে প্রতিটি সময়ের মূল্য অনেক।‌ কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে কখনো কখনো স্বপ্ন আর নিজের মাঝে চলে আসে বাঁধা। এই বাঁধা গুলো থেকে নিজেকে রক্ষা করতে চলে আসে প্রত্যেকের জীবনে কিছু রূপকথার গল্পের মতো একজন দূত।

ঠিক তেমনি লক্ষ্য করা যায় গতকাল শনিবার (৩০ জুলাই ২০২২) গুচ্ছের বিজ্ঞান বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় যেখান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে  একজন গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে দেরিতে চলে আসে তাকে পরীক্ষা হলে পৌঁছে দিতে সেই ছাত্রের সাথে ছুটছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্ৰুপের একজন রোভার । গতকাল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার্থী সকল শিক্ষার্থীদের একইভাবে সার্বিক সহযোগিতা করেছিল জবিস্থ সকল স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন গুলো।

ছবিতে পরীক্ষার্থী সাথে ছুটছে  মাহমুদুর আমিন টনি নামক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভার স্কাউট গ্ৰুপের একজন সদস্য। তিনি বলেন, আমি ও আমাদের জবিস্থ সকল স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন গুলো পরীক্ষার্থীদের জন্য সার্বিক সহযোগিতায় অটল ছিলাম । গতকাল গুচ্ছ পরীক্ষায় অনেক শিক্ষার্থী দেরি করে আসে তাদের পরীক্ষা হলে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রোভার স্কাউট ,বিএনসিসি, রেঞ্জার্সের অনেক সদস্য সাহায্য করেছিল । আর আমরা সবসময় একইভাবে সাহায্য করে যাবো। উল্লেখ্য মাহমুদুল আমিন টনি তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৫ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে শৃংখলার সাথে প্রবেশ করানো আবার বের হতে সাহায্য করা, তাদের পরীক্ষার হল রুম দেখিয়ে দেওয়া, খাবার পানির ব্যবস্থা করা, ইত্যাদি সেবামূলক কাজ করে আসছে সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিএনসিসি, রোভার স্কাউট এবং রেঞ্জার্স।

গতকাল ৩০ জুলাই ২০২২, ঢাকায় ৯ টি সহ দেশের ১৯ টি কেন্দ্রে গুচ্ছের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এদের মধ্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এ সবথেকে বেশি ছাত্র-ছাত্রীদের আসন পড়ে। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করলেও অনেককে পরিক্ষা শুরুর পরও কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেখা যায়। আর দেরী করা শিক্ষার্থীদের জবি বিএনসিসি,রোভার স্কাউট, রেঞ্জার্স সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতায় পরিক্ষার হলে নিয়ে যাওয়া হয়।