অবশেষে সৈয়দপুরে কলেজের মাঠে হওয়া সেই 'রাজকীয় বিয়ে'র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ! ফেঁসে যাচ্ছেন অনেকেই

চেয়ারম্যানের কাছে মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থা নেওয়ার সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় শাখা থেকে পাওয়া নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার ‘সৈয়দপুর আদর্শ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ মাঠে গভর্নিং বডি বিয়ের আয়োজন করা সংক্রান্ত পত্রটি পাঠানো হলো।

অবশেষে সৈয়দপুরে কলেজের মাঠে হওয়া সেই 'রাজকীয় বিয়ে'র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ! ফেঁসে যাচ্ছেন অনেকেই
ছবিঃ সংগৃহীত
জাহিদুল হাসান জাহিদ।স্টাফ রিপোর্টার।। ০৭ এপ্রিল, বুধবার।। সৈয়দপুর উপজেলার ‘সৈয়দপুর আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ মাঠে বিয়ের আয়োজন করায় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এই নির্দেশ দিয়েছে।
চেয়ারম্যানের কাছে মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থা নেওয়ার সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় শাখা থেকে পাওয়া নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার ‘সৈয়দপুর আদর্শ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ মাঠে গভর্নিং বডি বিয়ের আয়োজন করা সংক্রান্ত পত্রটি পাঠানো হলো।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরও বলা হয়, স্কুল মাঠে বিয়ের আয়োজন করায় উল্লিখিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির বিরুদ্ধে বিধি-মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে অত্র বিভাগকে অবহিত করার জন্য বলা হলো।
উল্লেখ্য, নিজ ছেলের বিয়ে উপলক্ষে নিয়ম লঙ্ঘন করে ওই প্রতিষ্ঠানে গত ১২ ফেব্রুয়ারী রাজকীয় বিয়ের আয়োজন করেছিলেন শহরের বিশিষ্ট শিল্পপতি আলতাফ হোসেন।
সৈয়দপুর আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের মাঠজুড়ে নির্মাণ করা হয় বিশাল প্যান্ডেল ও বর-কনের জন্য ‘তাজমহল’ আসন। এগুলোর সাজসজ্জায় কয়েক দিন ধরে তিন শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। পুরো আয়োজনের দায়িত্বে ছিল ‘শাহজাহান ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’ নামে ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান। এখানে ৫ হাজার অতিথির আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয় বলে কর্মরত শ্রমিকরা জানান। ১৩ ফেব্রুয়ারী রাতে বিয়ের অনুষ্ঠান হয়।
প্যান্ডেল করার আগে পুরো বিদ্যালয় মাঠ পৌরসভার রোলার দিয়ে সমান করা হয়। পাশাপাশি করোনা মহামারীর মধ্যে এমন আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেন স্থানীয়রা। তারা তখন অভিযোগ করে বলেছিলেন, একজন শিল্পপতি ছেলের বিয়ের আয়োজনের জন্য অনুমতি চাইতেই পারেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠান কতৃপক্ষ কীভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত কাজের জন্য রাজি হন?