ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে সমাপ্তি প্রথমবারের গুচ্ছ পরীক্ষা, ছিল ফলাফল নিয়ে অসংগতির অভিযোগ 

ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে সমাপ্তি প্রথমবারের গুচ্ছ পরীক্ষা, ছিল ফলাফল নিয়ে অসংগতির অভিযোগ 
ছবিঃ সংগৃহীত

ফারজানা আফরিন।।জবি প্রতিনিধি।। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষার সমাপ্তি হলো বানিজ্য বিভাগের 'সি' ইউনিটের পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে। 

(সোমবার) পহেলা নভেম্বর সারাদেশে একযুগে ২২ টি কেন্দ্রে বানিজ্য বিভাগের ৩৪ হাজার ৪৩৭ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে প্রথমবারে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষা। 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিবে ৮ হাজার ১৮৭ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শুরু হবে যথারীতি দুপুর ১২ থেকে ১ টা পর্যন্ত। ২০২০-২১ সেশনের গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা হবে . ২৫ ও সঠিক উত্তরের জন্য দেওয়া হবে ১ নম্বর করে। 

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর বিজ্ঞান বিভাগ ও ২৪ অক্টোবর মানবিক বিভাগের পরীক্ষা দিয়ে সারাদেশে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষা। প্রশ্নের মান কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক চাপিয়ে দেওয়া ফলাফল নিয়ে হয়েছে তুমুল সমালোচনা। 

বানিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম ভূইয়া বলেন, গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষা দিয়ে আমাদের উপকার হয়েছে কিন্তু একটা সমস্যা হচ্ছে ফলাফল নিয়ে ভয়ে আছি কোনো ভুলক্রুটি হয় নাকি। পরীক্ষা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য বিধির কিছুটা উপেক্ষা ছিল। একটা টেবিলে তিনজন পরীক্ষার্থীকে বসে গাদাগাদি করে ফেলছে কর্তৃপক্ষ। 

গুচ্ছভুক্ত ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা শুরুতে বিষয়টি নিয়ে যতটা ইতিবাচক ছিলাম কিন্তু বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখেছি সারাদেশে। বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষায় সময় বিবেচনা না করে একাধিক অংক দিয়ে প্রশ্ন কঠিন করা কিংবা মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভুল ফলাফল দিয়ে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছে তারা। 

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, একসাথে ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিয়ে আমাদের হয়তো যাতায়াতে সুবিধা ও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে উপকার হয়েছে। কিন্তু একের পর এক ভুল সমন্বয় হীনতা মনে হচ্ছে আমাদের ভোগান্তি অনেক হারে বাড়ছে। সাবজেক্ট চয়েস ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন নিয়ে রয়েছে তাদের মনে নানা প্রশ্ন। 

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার যুগ্ম আহবায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.  মোঃ ইমদাদুল হক বলেন, আমরা কঠিন একটা কাজ সম্পন্ন করেছি শিক্ষার্থীদের জন্য। হয়তো কিছু সমস্যা হয়েছে তবে আশা করি আগামীতে এই সমস্যা আর হবে না।