উখিয়ায় অবৈধ চার করাতকল উচ্ছেদ : যন্ত্রাংশ ও চোরাই কাঠ জব্দ 

উখিয়ায় অবৈধ চার করাতকল উচ্ছেদ : যন্ত্রাংশ ও চোরাই কাঠ জব্দ 
ছবি: সংগৃহীত

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার, ১৮ আগষ্ট।। কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী ঘোনারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ এবং সরঞ্জাম ও চোরাই কাঠ জব্দ করা হয়েছে। 

জব্দ করা অবৈধ করাতকলের সরঞ্জাম ও কাঠগুলো বনবিভাগের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ আগষ্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমরান হোসাইন সজীবের নেতৃত্বে উখিয়ার রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলমসহ বনবিভাগ ৩০/৩৫ জনের একটি টীম এ অভিযান চালায়।
জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী ঘোনারপাড়া এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই অবৈধ করাত কলের রমরমা ব্যবসা চলে আসছিল। এ কারণে সরকার হারাচ্ছে মোটা অঙ্কের রাজস্ব। পালংখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বনাঞ্চলের আশপাশে সরকারি নিয়ম ও নির্দেশনা তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা  করাতকলের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় বনবিভাগ।
উখিয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন সজীবের নেতৃত্ব ও উখিয়া সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সহ বনবিডাগের একটি টীম ১৮ আগষ্ঠ বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালীর ঘোনারপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
এসময় পালংখালীর ৪নং ওয়ার্ডের তাজনিমার খোলা এলাকার মৃত নুর আহমদের ছেলে ছাবের আহমদ, গজুঘোনা এলাকার নুর আলমের ছেলে শফিক আহমেদ, বজল আহমদের ছেলে নাছির উদ্দিন, রহমতের বিল এলাকার রসুর ছেলে আক্তার ও ঘোনার পাড়ার মৃত আবদুর রশিদের ছেলে নুরুল বশরের মালিকানাধীন অবৈধ ৪ টি করাত কল উচ্ছেদ করা হয়। জব্দ করা হয়েছে করাত কলগুলোর যন্ত্রাংশ ও অবৈধ ১৫০ ঘন ফুট কাঠ।
অভিযানে অংশ নেন, কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়ার রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম ছাড়াও ওয়ালা পালং বনবিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ, উখিয়ার ঘাট বনবিট কর্মকর্তা মনিছুর রহমান, উখিয়া সদর বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামান, ভিলেজার    
হেডম‍্যান ও পুলিশ। 
উখিয়া সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম জানান, স্থানীয় কিছু লোকজন বনাঞ্চলের পার্শ্ববর্তী স্থানে এসব অবৈধ করাতকল স্থাপন করেছে। এসবের বৈধ কোনো কাগজপত্র না থাকায় উচ্ছেদ করা হয়েছে।
জব্দ করা  চারটি করাতকলের বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম ও কাঠের আনুমানিক মূল্য ১০ লক্ষাধিক টাকা। অবৈধ করাতকলের মালিকদের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।
...