কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত ভূমি মালিকদের চেক বিতরণ

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত ভূমি মালিকদের চেক বিতরণ
ছবিঃ সংগৃহীত

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ১৬ জুন।। সমুদ্রতীরের রানওয়েতে নামবে বিশাল আকৃতির উড়োজাহাজ। পর্যটকের সুবিধার্থে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক রূপ দেওয়া হবে এ বিমানবন্দরকে। 

কক্সবাজার বিমানবন্দর রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পটি গত ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন দেন। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় এক হাজার ৬০০ কোটি টাকা। গত মার্চে গ্রাউন্ড ব্রেকিং উদ্বোধন করা হয় আর আগামী ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষে রানওয়ে বড় বিমান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে। 
কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উন্নীতকরণে অধিগ্রহণকৃত ভূমি মালিকদের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।
এলক্ষ্যে বুধবার (১৬ জুন) সকালে বিমান বন্দরে নির্মিতব্য নতুন টার্মিনাল প্রাঙ্গনে আয়োজিত এক সভায় অনুষ্ঠানিক ভাবে ৭০ জন ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিকের মাঝে ১১১ কোটি ৭ লক্ষ টাকার ৫৩ টি ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা আওয়ামীলীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি এডভোকেট  ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব আমিন আল পারভেজ,সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল,বীর মুক্তিযোদ্ধা নরুল আবছার, প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা । 
বর্তমানে কক্সবাজার বিমানবন্দরে ৯ হাজার ফুট রানওয়ে আছে। এটিকে মহেশখালী চ্যানেলের দিকে আরো এক হাজার ৭০০ ফুট সম্প্রসারিত করে মোট ১০ হাজার ৭০০ ফুট করা হচ্ছে। বর্ধিত রানওয়ের এক হাজার ৩০০ ফুটই থাকবে সাগরের পানির নিচে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বড় বড় উড়োজাহাজ কক্সবাজার রুটে চলাচল করতে পারবে।