কক্সবাজারে মোরশেদ হত্যা মামলায় আত্মসমর্পণ করতে এসে আদালত পাড়ায় দু'পক্ষের মারামারি 

কক্সবাজারে মোরশেদ হত্যা মামলায় আত্মসমর্পণ করতে এসে আদালত পাড়ায় দু'পক্ষের মারামারি 
ছবি: সংগৃহীত

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার, ২৭ জুলাই।।কক্সবাজার সদরের পিএমখালী এলাকায় আলোচিত মোরশেদ আলী ওরফে মোরশেদ বলী হত্যা মামলার প্রধান আসামী আব্দুল মালেক ও কলিম উল্লাহ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। কলিম উল্লাহ ওই মামলার তিন নং আসামি। 

২৭ জুলাই বুধবার দুপুরে কক্সবাজার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর ফারুকীর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমির হোসেন জানান, উচ্চ আদালতের নির্দেশে তারা আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। এ রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নিহত মোরশেদ বলীর পরিবার।
এদিকে, আসামীরা আত্মসমর্পণের সময় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গনে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে আসামীপক্ষ ও নিহত মোরশেদ আলীর পরিবারের লোকজন। এই ঘটনায় পুলিশ নিহত মোরশেদ বলীর ভাই মো. সাজ্জাদ ও মো. জাহেদ এবং একই এলাকার আরিফ উল্লাহ নামে তিনজনকে আদালত প্রাঙ্গন থেকে আটক করেছে। 
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মুনির উল গীয়াস জানান, আটক তিনজনই নিহত মোরশেদ বলীর পরিবারের সদস্য। চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশা অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ২৬ জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার পরে এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা আলালসহ দলের চার নেতাকে দল থেকে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছিল। বহিষ্কৃত অপর নেতারা হলেন, আবদুল মালেক, জয়নাল আবেদীন ও আবু তাহের। সবার বাড়ি কক্সবাজার সদরের পিএমখালী ইউনিয়নে।
গত ৭ এপ্রিল কক্সবাজার সদরের পিএমখালী এলাকার চেরাংঘাট বাজারে ইফতার আগে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মোরশেদ আলী ওরফে মোরশেদ বলীকে। এই ঘটনায় ২৬ জনকে আসামী করে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।