কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ২৬০টি অবৈধ স্থাপনা সম্পুর্ণ উচ্ছেদ 

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ২৬০টি অবৈধ স্থাপনা সম্পুর্ণ উচ্ছেদ 

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার, ৩১ অক্টোবর।। কক্সবাজার সৈকতে জেলা প্রশাসন ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যৌথ অভিযান চালিয়ে ২৬০ টি ছোট- বড় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে। 

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনর রশীদের নির্দেশনায় ৩১ অক্টোবর সকাল ৯ টা থেকে  দুপুর ২ টা পর্যন্ত 
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব (উপসচিব) ও  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর রাশেদের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
উচ্ছেদ অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: আমিন আল পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মো: আবু সুফিয়ান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) কক্সবাজার সদর। অভিযানে অংশ নেন, কক্সবাজার জেলা পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন এবং বিদ্যুৎ বিভাগ।

মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে  কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকার সুগন্ধা পয়েন্ট ও লাবনী পয়েন্টে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। 
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর মোহাম্মদ নুরুল আবছার এনজিপি, এনডিসি, পিএসসি, বিএন (অব:) বলেন, গত গত ১০ অক্টোবর মোবাইল কোর্টের অভিযানের মাধ্যমে সমুদ্র সৈকতের ৪১৭ টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু মহামান্য আপীলেট ডিভিশন কর্তৃক ২৩৩ টি দোকানকে মালামাল সরিয়ে নেয়ার জন্য ৩০ অক্টোবর  পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছিল। 


তাই ৩১ অক্টোবর মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে উক্ত ২৩৩টি দোকানসহ ২৬০ টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। 
তিনি আরো বলেন, কক্সবাজারে পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে হলে প্রথমেই সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তাই সমুদ্র সৈকতের অবৈধ স্থাপনাসমূহ উচ্ছেদের মাধ্যমে সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর/সংস্থার সমন্বয়ে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নির্দেশ দেওয়ার পরও তা পালন না করায় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মামুনুর রশিদকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট।


তলবে হাজিরের পর শুনানি শেষে তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেন আদালত। 
১৯ অক্টোবর কক্সবাজার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মামুনুর রশীদ আইনজীবীর মাধ্যমে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে আইনজীবীর মাধ্যমে হলফনামা আকারে এমন তথ্য সংবলিত প্রতিবেদন জমা দেন।
একই সঙ্গে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ৯ নভেম্বরের আদালতের আদেশ প্রতিপালনের প্রতিবেদন দিতে বলেন হাইকোর্ট।