কক্সবাজারে ৪৭০ ভরি ওজনের ৩৩ টি স্বর্নের বার উদ্ধার করেছে ৩৪ বিজিবি

কক্সবাজারে ৪৭০ ভরি ওজনের ৩৩ টি স্বর্নের বার উদ্ধার করেছে ৩৪ বিজিবি
ছবিঃ সংগৃহীত

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৯ আগষ্ট।।কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন ৩৪ বিজিবি এর তমব্রু বিওপির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৪৭০ ভরি ওজনের ৩৩ টি স্বর্নের বার উদ্ধার করেছে। এসময় চোরাচালান চক্রের সদস্য একজন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত স্বর্ণের মুল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা।

৯ আগষ্ট সকাল সাড়ে ৬ টার সময় কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের টিভি টাওয়ার নামক স্থানে এ অভিযান চালানো হয়। 
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন ৩৪ বিজিবির পরিচালক (অধিনায়ক) আলী হায়দার আজাদ আহমেদ এ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 
৩৪ বিজিবি সুত্রে জানা গেছে, 
৯ অাগস্ট সকালে কতিপয় চোরাচালানী চক্র অবৈধভাবে স্বর্নের একটি বড় চালান মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে এনে উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ে যাবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) এর তমব্রু বিওপির সদস্যগণ কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার ৫নং পালংখালী ইউনিয়নের টিভি টাওয়ার নামক স্থানে রাস্তার পাশে অবস্থান নেয়। 
অতঃপর সকাল সাড়ে ৬টার সময় ১ জন ব্যক্তিকে সীমান্ত হতে কুতুপালং এর দিকে পায়ে হেটে আসতে দেখে সন্দেহভাজন হিসেবে তল্লাশীর জন্য আটক করা হয়। 
পরবর্তীতে  বিজিবি টহলদল কর্তৃক উক্ত ব্যক্তির শরীর পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশী করে তার কোমরে লুঙ্গির ভাঁজে অতিকৌশলে লুকায়িত অবস্থায়
৪৭০ ভরি ওজনের ( মিয়ানমারের ২৪ ক্যারেট/৯৯৯.৯৯ পিওর) ৩৩টি স্বর্নের বার উদ্ধার করা হয়। আটক স্বর্নের বারের মুল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। উল্লেখ্য, কর/ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে স্বর্নের বার চোরাচালানী কাজে জড়িত মিয়ানমার নাগরিক মো. জয়নুল আবেদীন (৬৫), পিতা-মৃত ফজর আহম্মদকে আটক করা হয়। আটক মো. জয়নুল আবেদীন বর্তমানে শূন্য লাইনে অবস্থিত তমব্রু কোনাপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন ৩৪ বিজিবির পরিচালক (অধিনায়ক) আলী হায়দার আজাদ আহমেদ জানান, আটক রোহিঙ্গা জয়নুল আবেদীন উখিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত স্বর্নের বারগুলো কক্সবাজার ট্রেজারী অফিসে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাসের মহামারির মাঝেও বিজিবি নিজ কর্তব্যে অটুট থেকে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযান
চলমান। এছাড়াও সীমান্ত দিয়ে চোরাকারবারীরা যাতে বাংলাদেশ সরকারকে কর ও ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মালামাল পাচার করতে না পারে সে লক্ষ্যে বিজিবি প্রতিনিয়ত বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।