কাঠালিয়ার ইসকন সদস্য কর্তৃক অপহৃত নারী উদ্ধার ও ইসকন সদস্য গ্রেফতার

কাঠালিয়ার ইসকন সদস্য কর্তৃক অপহৃত নারী উদ্ধার ও ইসকন সদস্য গ্রেফতার
ছবিঃ সংগৃহীত

এইচ এম রিয়াজ খান অশ্রু।। স্টাফ রিপোর্টার।। ১৭ জুন, বৃহস্পতিবার।। সঞ্চয়পত্রের টাকা উত্তোলনের সময় ইসকনের সদস্য, ঝালকাঠির কাঠালিয়া থানার অপহরণ মামলার আসামী কে আটক  ভিকটিমকে উদ্ধার  করেছে সিআইডি পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর ২টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল শাখা থেকে টাকা উত্তোলনের পূর্বে মানব পাচার মামলার আসামী প্রদীপ কুমার (৩২)কে আটক করা হয়। একই সাথে ভিকটিম বিপাশা রানী (২৫)কে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সিআইডির পরিদর্শক মো. আবু মুছা খন্দকার। আটক প্রদীপ কুমার ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার উত্তর আমুয়া গ্রামের মৃত রমনী বালার পুত্র ও কট্টরপন্থী হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ইসকনের সদস্য বলে স্বীকার করেছে।

     মামলার বিবরনে জানা যায়, ২ এপ্রিল কাঠালিয়া উপজেলার পশ্চিম চেচরীরামপুর গ্রামের ভিকটিমকে তার বাসা থেকে প্রেমের সম্পর্ক করে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। এসময় ঘরে রক্ষিত টাকা, স্বর্নালংকার ও বাংকের সঞ্চয় পত্র নিয়ে যায়। এ ঘটনায় কাঠালিয়া থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে মামলা গ্রহন না করে টালবাহান করতে থাকে।

    পরবর্তীতে গত ২মে ভিকটিমের মা ঊষা রানী সাধক বাদী হয়ে প্রদীপ কুমার ও তার ভাই কৌশিক বালাকে আসামী করে আদালতে মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইনের ১০ ও ১১ ধারায় একটি নালিশী অভিযোগ দায়ের করলে আদালত কাঠালিয়া থানার ওসিকে মামলা গ্রহন করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।গত ৯ মার্চ কাঠালিয়া থানায় অভিযোগটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করলেও থানার পরিদর্শক পুলক চন্দ্র দাস আসামী গ্রেপ্তারে গড়িমসি করতে থাকে বলে অভিযোগ ওঠে।

     এ অবস্থায় ভিকটিমের পরিবার কাঠালিয়া থানা পুলিশ আসামীকে আটক না করায় বাদী সিআইডির দ্বারস্থ হয়। গত ১৫ জুন মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল শাখা থেকে ভিকটিমের মায়ের সঞ্চয় পত্রের টাকা উঠাতে যায়। এসময় পূর্বেই সেখানে অবস্থান নেয়া সিআইডি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। একই সাথে মামলার প্রধান আসামী ইসকনের সদস্য প্রদীপ কুমারকে আটক করে ঝালকাঠিতে নিয়ে আসে। 

    ঝালকাঠি সিআইডির পরিদর্শক মো. আবু মুছা খন্দকার সাংবাদিকদের জানান, আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হবে।