কাঠালিয়ায় সড়ক বিভাগের কার্যসহকারীর ঘর ভূমি অফিসের গাড়ী চালকের দখলে

কাঠালিয়ায় সড়ক বিভাগের কার্যসহকারীর ঘর ভূমি অফিসের গাড়ী চালকের দখলে
ছবি: সংগৃহীত
ঝালকাঠি প্রতিনিধি।। ঝালকাঠির কাঠালিয়া ভূমি অফিসের গাড়ী চালক আল আমিনের বিরুদ্ধে রাতের আধারে সড়ক বিভাগের কার্যসহকারী মোঃ আফজাল হোসেনের বসত ঘর দখল ও ঘরের সমস্ত মালামাল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আমুয়া
খাদ্য গোডাউন সংলগ্ন এজির সম্পত্তিতে নির্মিত ভবনটি দখল করে আলআমিন ঘরের আসবাবপত্রসহ ৫ লাখ টাকার মালামাল লোপাট করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে গত ২৮ আগষ্ট রবিবার আফজাল হোসেনের জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদন করে তার ঘর ও ঘরের মালামাল ফেরত পাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।
   মোঃ আফজাল হোসেন লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালে আমুয়া ব্রীজ নির্মান কালে আমুয়া খাদ্য গোডাউন সংলগ্ন এজির সম্পত্তিতে নিজের প্রায় ৮
লাখ টাকা ব্যয় করে এই পাকা ঘরটি নির্মান করে বসবাসের মাধ্যমে কাজ দেখাশুনার দায়িত্ব পালন করি। বিগত ৩০ বছর ধরে বসবাস করা সেই বিল্ডিংয়ে
আমি না থাকার সুযোগে হঠাৎ গত ১জুলাই রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গাড়ী চালক আল আমিনের নেতৃত্বে দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে এবং রাতের মধ্যেই সে লোকজন নিয়ে আমার ব্যবহৃত প্রায় ৫লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র লুটে নিয়ে যায়।
    খবর পেয়ে পরের দিন আমি এসে ঘর মালামাল শূন্য ও সেখানে অবস্থানরত আল আমিনকে দেখে দরজা ভেঙ্গে প্রবেশের কারন ও মালামাল কোথায় জানতে চাইলে সে
মালামাল খালে ফেলে দিয়েছে বলে জানায় এবং ঘর থেকে তাকে চলে যেতে নির্দেশ দেয়। নিরুপায় হয়ে আফজাল হোসেন বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ও সড়ক বিভাগের
উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানালে দখলকারী আল আমিন আমার সাথে যোগাযোগ করে মিমাংসার কথা জানালেও পরবর্তীতে সময় ক্ষেপন করায় বাধ্য হয়ে এই অভিযোগ
করেছেন বলে জানান।
   এ ব্যাপারে কাঠালিয়া ভূমি অফিসারের গাড়ী চালক আল আমিন এ প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কাঠালিয়া উপজেলার সরকারী কোয়াটারে বসবাস করি। সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুফল চন্দ্র গোলদার সরকারের ১নং খাস খতিয়ান ভূক্ত জমিতে কোন প্রকার অনুমতি বা বরাদ্দ ছাড়াই দখল করে পাকা ভবন নির্মান করে রাখায় তিনি দখলকারী কে উচ্ছেদ করেন। আমার বিরুদ্ধে
ঘর দখলের অভিযোগ মনগড়া ও বানোয়াট।