করোনার গ্যাঁড়াকলে নিস্পেষিত মানুষ

করোনার গ্যাঁড়াকলে নিস্পেষিত মানুষ

জাহিদুল হাসান জাহিদ।স্টাফ রিপোর্টার। ১৪ মে-২০২১।। কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসের প্রার্দুরভাব প্রথমে দেখা যায়  ২০২০ সালের মার্চ মাসে। তখন মানুষের মাঝে দারুণ উদ্বেগ উৎকন্ঠা আর আতংকর নাম করোনাভাইরাস।এই ভাইরাসে যে সংক্রমিত হবে তার আর নিস্তার নেই। র্নিঘাত মৃত্যু। মৃত্যু আর সংক্রমণ ঠেকাতে আকাশ পথ,,জলপথ,স্থলপথের বাস ট্রাক রিক্সা,অটোরিক্সা সহ দেশের কলকারখানা সরকারি আধা সরকারি অফিস আদালত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে সাধারণ ছুটি ঘোষণা দেওয়া হয়।গত বছর করোনা যেভাবে আতংক ফেলে ছিল, সেই সময় সাধারণ মানুষ  নিজ দায়িত্বে এলাকায় লকডাউন করে।খেটে খাওয়া মানুষ পেটের তাগিতে ঘরের বাহির হয়ে ছিল। সাধারন মানুষ যাতে ঘর থেকে বাহির না হয় এই জন্য সরকার কিছু নিন্ম আয়ের মানুষকে খাদ্য নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেন।সরকারের পাশাপাশি এনজিও সামাজিক প্রতিষ্ঠান সহ ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রান সামগ্রি  বিতরণ করেন এবং এখনও অব্যহত আছে। সেই সময় করোনায় আক্রান্ত আর মৃত্যু মোটামুটি অনেক কম ছিল।তারপরও কৃষক,ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সরকার প্রণোদনা দেন।প্রণোদনা কারা পেল কতজন পেল বা কিভাবে পেল বা আজও পেয়েছে কি না এর সঠিক তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিশ্চয় আছে।এতো অনুদান ত্রানের দামাডোলের মাঝে এক শ্রেনির মানুষ হয়তো সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছে।কিন্তু এর মাঝে অনেক শ্রেনি পেশার মানুষ চাকুরি হারিয়ে বেকার হয়েছে।ব্যবসা হারিয়ে পথে বসেছে।আবার অনেকের চাকুরি আছে কিন্তু বেতন ভাতা নেই।তারা মানবেতর জীবন নিয়ে ধুকেধুকে বেঁছে আছে।কিন্তু তাদের খবর হয়তো কেউ জানেনা।ওই শ্রেনির মানুষ কিন্তু কারো কাছে হাত পেতে সাহায়্য সহযোগিতার কথা বলতে পারছে না। এমন কি তারা অনুদানও পাচ্ছে না।কারণ তারা নাম মাত্র বেসরকারি বা কোন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি বা কাজ করেন। আজ তারা পরিবার পরিজন নিয়ে অর্থভাবে দারুণ দুর্ভিসহ জীবন অতিবাহিত করছে।বিশেষ করে বেসরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা মানবেতর জীবন অতিবাহিত করছে। গত বছর বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারি কিছু নগদ অর্থ পেয়েছিল।তা ছিল যথা সামান্য।ওই টাকা দিয়ে কোন মত এক মাস সংসার চলে।অবৈতনিক মিডিয়া কর্মিদের অবস্থা আরো করুন।তারাও মানবেতর জীবন অতিবাহিত করছে।সরকার প্রধান সাংবাদিকদের প্রণোদনা দিয়েছেন।তা জেলা পর্যায়ের সংবাদ কর্মীরা পেয়েছে।উপজেলা পর্যায়ের কোন সংবাদ কর্মীরা কিছুই পায়নি।বেসরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক আর সারা দেশের উপজেলা পর্যায়ের সংবাদ কর্মীরা মানবেতর জীবন নিয়ে এক কঠিন সময় পার করছে।এরপরও এই শ্রেণি পেশার মানুষ গুলোর পাশে কেউ দাঁড়ায়নি।এই ধকল কেটে উঠতে না উঠতে আবার দেশে দেখা দিয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ।-চলবে