করোনার গ্যাঁড়াকলে মানবেতর জীবন যাপন

করোনার গ্যাঁড়াকলে মানবেতর জীবন যাপন

জাহিদুল হাসান জাহিদ।স্টাফ রিপোর্টার।১৬ মে ২০২১।। করোনার প্রথম ঢেউয়ে লন্ডভন্ড দেশের অর্থনীতি অবস্থা। এর ভিতর আবার দেশে ২০২১ মার্চে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রার্দুরভাব শুরু হয়েছে।করোনার মহামারিতে যাহারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে । তাদের নাভির শ্বাস উঠছে আর নামছে। এর মধ্যে আবার করোনার দ্বিতীয় ঢেউ।এখন করোনা মানুষের জীবনে মরার উপরে খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।দীর্ঘ এক বছরের অধীক সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ রয়েছে।কোন পড়া লেখা নাই অথচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের  বেতন ঠিকই দিতে হচ্ছে অভিভাবকদের।দেশের মোট জনগণের সিকি ভাগের কম মানুষ সরকারি চাকুরি জীবি। তাদের পরিবার হয় তো করোনার প্রথম ঢেউ,দ্বিতীয় ঢেউ কিছুই টের পায়নি।তাদের সন্তানদের স্কুলের বেতন দিতে কোন সমস্যা হচ্ছে বলে মনে হয় না।তবে যারা বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করতো, তারা করোনর কারণে কাজ কর্ম হারিয়ে এখন দিশে হারা।তারা কিভাবে সন্তানের বিদ্যালয়ের বেতন দিবে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো কোথায় পাবে এই বেতনের টাকা।অবশ্য’ই রাষ্ট্র বা সরকারকে এই বিষয়ে ভেবে দেখা উচিত বলে মনে করেন দেশের সাধারন জনগন।আবার অনলাইনে পড়ালেখার নামে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এন্ড্রোয়েট মোবাইল। এতে শিক্ষার্থীদের কতটুকু উপকার হয়েছে তা হারে হারে টের পাচ্ছে অভিভাবকগন।কারণ শিক্ষার্থীরা এখন আর অনলাইনে ক্লাশ করে না। তারা ঝুকে পড়েছে নানা ধরনের গেম খেলায়। যেমন পাবজি,ফ্রি ফায়ার ইত্যাদি গেম। এসব গেম থেকে যখন’ই অভিভাবকরা সন্তানদের নেবারনের চেষ্ঠা করছে তখন’ই দেখাদিচ্ছে নানা ধরেরন অপ্রিতিকর ঘটনা।এমন কি মোবাইলের জন্য আত্ম হত্যার মতো ঘটনা পযর্ন্ত ঘটছে। আবার করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন চলছে গোটা দেশে।এখন দেখার বিষয় লকডাউন সফল করতে সরকার অসহায় পরিবারের ব্যাপারি কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।.......সমাপ্তি