গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালি নদীতে বিলুপ্ত গোঘাট মৎস্য অভয়াশ্রমের পাশে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা

গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালি নদীতে বিলুপ্ত গোঘাট মৎস্য অভয়াশ্রমের পাশে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা
ছবিঃ সংগৃহীত

আবু তাহের।।  স্টাফ রিপোর্টার।।  ১৯ এপ্রিল, সোমবার।।গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালী নদীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে একদল গ্রামবাসী ইর্ষান্বিত হয়ে পার্শ্ববর্তী হাফেজিয়া মাদরাসার অস্থায়ী নামাজ ঘরে তালা লাগিয়েছে। ফলে নামাজ পড়তে না পাড়ায় গ্রামবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছে।

জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের বড় রঘূনাথপুর গ্রাম এবং তালুককানুপুর ইউনিয়নের সুন্দইল গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কাটাখালী নদীতে সরকারীভাবে স্থাপিত গোঘাট মৎস্য অভয়াশ্রমটি গত বৎসর বিলুপ্ত করা হয়। গত কয়েকদিন যাবৎ কাটাখালী নদীতে এ অভয়াশ্রমের আশে পাশে রঘুনাথপুর গ্রামের গরিব অসহায় মানুষ মাছ ধরতে থাকে। কিন্তু পাশ্ববর্তী সুন্দইল গ্রামের লোকজন এতে বাঁধা প্রদান করলে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে গত ৭/৮ দিন যাবৎ উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। এ নিয়ে গতকাল শুক্রবার দুই গ্রামবাসীর মুরব্বী ও নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বড় রঘূনাথপুর আল কোরান হাফেজিয়া মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক মেহেরুল ইসলাম বাবলু জানান, বৈঠকে সমঝোতা না হওয়ায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে একই গ্রামের জালাল গাছুর নেতৃত্বে ১৫/২০ জন দূস্কৃতিকারী লাঠি-সোটা, দা-কুড়ালসহ দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় এবং বড় রঘূনাথপুর বাইতুল আমান জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ চলায় পাশের বড় রঘূনাথপুর আল কোরান হাফেজিয়া মাদ্রাসার অস্থায়ী নামাজ ঘরে তালা লাগিয়ে দেয়। ফলে নামাজ পড়তে না পাড়ায় গ্রামবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছে।
জালাল গাছু উভয় পক্ষের মধ্যে সালিশীবৈঠকের কথা স্বীকার করলেও তার নেতৃতে হামলা চালানোর বিষটি অস্বীকার কওে বলেন গোঘাট মৎস্য অভয়াশ্রমটি পূর্ব থেকে ছিলো এটিকে আগের জায়গার স্থলে তারা উত্তর পুর্বে সরে দখিয়ে মৎস্য অভয়াশ্রমটির নিকট থেকে মাছ শিকারের চেষ্ঠা করলে এ ঘটার সৃষ্টি হয়।
জালাল গাছু ছেলে বাবু বলেন গত শনিবার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলার শিবলু ও গোলাম মোস্তফার উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশীবৈঠকের মাধ্যমে বিষয় টি মীমাংশা করেছেন।
বড় রঘূনাথপুর আল কোরান হাফেজিয়া মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক মেহেরুল ইসলাম বাবলু বলেন সালিশীবৈঠকের মারামারি বিষয় টি মিটে গেলেও গোঘাট মৎস্য অভয়াশ্রম নদীতে মাছ ধরার বিষয়টির কোন সুরাহা হয়নি।