গলাচিপায় গৃহহীন রিজিয়া পেতে চান প্রধানমন্ত্রীর উপহার

গলাচিপায় গৃহহীন রিজিয়া পেতে চান প্রধানমন্ত্রীর উপহার
ছবিঃ সংগৃহীত

মোঃমাজহারুল ইসলাম মলি, গলাচিপা, পটুয়াখালী।।  ৩০ এপ্রিল, শুক্রবার।।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল দেশের কোনো মানুষ আশ্রয়হীন থাকবে না। পিতার সেই স্বপ্ন পূরণে মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারাদেশের গৃহহীন-ভূমিহীনদের ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ উপহার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যারা ছিলেন ভূমিহীন-গৃহহীন, তারাই এবার পেতে যাচ্ছেন আধাপাকা বাড়ি।পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার ০২ নং গোলখালী ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের রিজিয়া ভানুর ঘরটি দেখে মনে পড়ে গেল পল্লী কবি জসিম উদ্দিন এর আসমানী কবিতাটি..

আসমানীর দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
রহিমন্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
বাড়িতো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছাউনি, 
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।
আসমানী কে দেখতে রসুলপুরে যাওয়ার দরকার নেই পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার ০২ নং গোলখালী ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের বাদুরা গ্রামের বৃদ্ধা রিজিয়া ভানু(৬০)এর ঘরটি দেখলেই বুঝতে পারবেন।রিজিয়া ভানুর স্বামীর রেখা যাও শুধু ভিটে মাটি ছাড়া কিছুই নেই।করিম বিশ্বাস ছিল তার স্বামী।খুব ভাল মানুষ ছিলেন। এলাকার সবাই তাকে করিম সারেং নামেই চিনতো।তাদের সংসার মোটামুটি ভালই ছিল।তার স্বামী মারা যাওয়ার পর সংসারে ভাটা পড়ে শুরু হয় অভাব অনটন।একমাত্র সন্তান শহিদ বিশ্বাস কে নিয়ে শুরু হয় জীবন যুদ্ধ। স্বামী মারা যাওয়ার পর ২৫ বছর যাবত সন্তান ও নাতিদের নিয়ে বসবাস করছেন ছোট একটি ঝুপড়ি ঘরে।একমাত্র সন্তান মাটে-ঘাটে ও দিনমজুরের কাজ করে যা পায়, তা দিয়ে টেনেটুনে চলছে রিজিয়া ভানুর জোড়াতালির সংসার।ঘর তোলার মত সামর্থ্য তাদের নেই। গণমাধ্যম কে বৃদ্ধা রিজিয়া ভানু জানান,দেশের গরীব অসহায় মানুষকে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘর দেয়। আমাদের এলাকায় ও দিছে। যদি প্রধানমন্ত্রী দয়াকরে আমাকে একটা ঘর উপহার দিতেন তাহলে আমি অনেক উপকৃত হতাম এবং সন্তানদের নিয়ে ভাল মত থাকতে পারতাম।প্রধানমন্ত্রীর কাছে এটা আমার প্রানের দাবি।