জনস্বার্থ এবং কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে অসাধারণ অবদান রেখেছেন আবু হেনা মোর্শেদ জামান | দৈনিক আজকাল বাংলা

জনস্বার্থ এবং কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে অসাধারণ অবদান রেখেছেন আবু হেনা মোর্শেদ জামান | দৈনিক আজকাল বাংলা

নরসিংদী থেকে হলধর দাস : কেন্দ্রীয় ওষধাগারের কর্মীদের নিয়ে এর পরিচালক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান বাংলাদেশে করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। সিন্ডিকেটের বলয়মুক্ত করে সিএমএসডিকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন তিনি। 

একটি বিশেষ মহল এ ভাল কাজকে সহজে মেনে নিতে পারছেনা বলেই তাদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে বিভিন্ন ভাবে উঠেপরে লেগেছে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের পরিচালক আবু হেনা মোর্শেদ জামানকে পদচ্যুত করতে। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে তারা তাদের মিশন বাস্তবায়ন করতে পারেনি। 
এক কথায় বলতে গেলে কোভিড-১৯  নিয়ন্ত্রণে যারা জনস্বার্থকে সামনে রেখে জানপ্রাণ লাগিয়ে কাজ করছে, তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্থানে অবস্থান করছে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের কর্মীরা। তাদের কাজের মধ্যে অন্যতম ধিকগুলো হচ্ছে- স্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়ায়, কম মূল্যে- সরকারের অর্থ সাশ্রয় করে উন্নতমানের টেষ্ট কিট, অক্সিজেন উপকরণ, রেমডিসিভির ইন্জেকশন সহ নানা দ্রব্যাদি ক্রয় এবং সরবরাহ।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- বাজারে অক্সিজেন সিলিন্ডার - ২৭০০০ টাকা, আর ঔষধাগার কিনছে কিনছে মাত্র ১২০০০ টাকায়। রেমডিসিভির ইন্জেকশন বাজারে - ৩২০০ টাকা, তারা কিনছে ৯২৫ টাকায়। এমনিভাবে প্রতিদিন কার্যকর দরকষাকষি করে সাফল্য আনছে সিএমএসডির স্বচ্ছ কর্মীরা।

বেশ কিছু আইটেমের মালামাল কিনতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (অউই) কেন্দ্রীয় ঔষধাগারকে সম্প্রতি বরাদ্দ দিয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। কিন্তু এই  স্বচ্ছ টিম স্বাশ্রয়ী মূল্যে মাত্র ৩৮৩ কোটি টাকায় সফলতা দেখাতে পেরেছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের সাশ্রয় হয়েছে ১১৭ কোটি টাকা। এ জন্য দেশের  মানুষের বাহবাও পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটির কর্নধারগণ।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আবু হেনা মোর্শেদ জামান, দেশের মানুষের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখে বলেন, আমরা সবাই যদি মাস্ক পড়ি, শারীরিক দূরত্ব মেনে চলি এবং স্বাস্থ্যবিধি মানি তা হলে কোভিড-১৯ কখনোই আমাদেরকে ঘায়েল করতে পারবে না। এখনো যদি আমরা সচেতন না হই হাজারো অক্সিজেন সিলিন্ডার-কনসেনট্রেটর, রেমডিসিভির, আইসিইউ বেড কিনে কুলাতে পারবোনা। মৃত্যুর মিছিল বাড়তে থাকবে। আপনাদের সচেতনতাই হবে আমাদের জন্য আপনার ভালবাসা। মৃত্য আর অসুস্হদের সংখ্যা কমে আসাই হবে আমাদের পুরষ্কার।