ঝালকাঠিতে দূর্নীতির অভিযোগে জেলা যুবলীগ সদস্যের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন আ'লীগের সংবাদ সম্মেলন

ঝালকাঠিতে দূর্নীতির অভিযোগে জেলা যুবলীগ সদস্যের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন আ'লীগের সংবাদ সম্মেলন
ছবি: সংগৃহীত

ঝালকাঠি প্রতিনিধি।। ঝালকাঠি জেলা যুবলীগের সদস্য নলছিটি খাগড়াখানা মডেল হাইস্কুলে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এইচ এম মাসুম বিল্লাহর বিরুদ্ধে নানা দূর্নীতি-অনিয়ম ও দল বিরোধী ভূমিকার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নলছিটি নাচনমহল ইউনিয়ন নেতৃবৃন্ধ। নাচনমহল দলীয় কার্যালয়ে গতকাল দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি বারেক হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক হানিফ হাওলাদারের নেতৃত্বে অন্যান্য নেতাকর্মীরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

   ইউনিয়ন কমিটির সাঃসম্পাদক হানিফ হাওলাদার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, নব্য আওয়ামী লীগ পরিচয়দানকারী মোঃ মাছুম বিল্লাহ সাবেক জামায়াত শিবির ও বিএনপির সমর্থক। যিনি নিজে বা তার পরিবারে সদস্যরা কোন দিন আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না। বরং সে এক সময় বিএনপির সাবেক এমপি ইলেন ভূট্টোর ঘনিষ্ট ছিলো ও এই মূহূর্তে তার আপন ভাই, ৩ মামা, চাচাসহপ্রায় সকল আত্মীয়-স্বজনই বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে জড়িত।

    হাইব্রীড এই যুবলীগ নেতা নিজ এলাকা নাচনমহলে অবস্থানকালে সবসময় বিএনপির লোকজন সাথে নিয়ে চলাফেরা করে। এমন কি দলীয় সাইনবোর্ড ব্যবহার করে খাগড়াখানা মডেল হাইস্কুলে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে অধিষ্টিত এইচ এম মাসুম বিল্লাহ কমিটির অন্য সব পদে আ’লীগ নেতাকর্মীদের উপেক্ষা করে বিএনপির সাথে যুক্তদের সদস্য করেছেন। নাচনমহল এলাকার বিভিন্ন স্থানে কিছু ব্যানার-ফেস্টুন ও নিজের ফেসবুক আইডিতেই তার দলীয় কর্মকান্ড সীমাবদ্ধ বলে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন।

    লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করেন, জেলা যুবলীগের সদস্য সাইনবোর্ডের আড়াঁলে মাসুম বিল্লাহ স্কুল সংলগ্ন মসজিদের জন্য জেলা পরিষদ থেকে একলাখ টাকা বরাদ্ধ নিয়ে কোন কাজ না করে আত্মসাৎ করেন। বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের বরাদ্দের টাকা দিয়ে সে মসজিদের দক্ষিন পাশে তার ব্যক্তিগত ৬ শতাংশ জমির পুকুর ভরাট করেন।
 
    কিছুদিন আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপির বরাদ্দকৃত টিআর বিক্রি করে কোন কাজ না করেই লোপাট করেন। এছাড়াও খাগড়াখানা মডেল হাইস্কুলটি স্থানীয়দের কাছ থেকে নগদ টাকায় জমি ক্রয় করায় এর কোন দাতা সদস্য না থাকলে সে বিদ্যালয়ে তার পিতা জমি দান করেছে বলে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন।

   এ বিষয়ে জেলা যুবলীগের সদস্য এইচ এম মাসুম বিল্লাহর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সে সেল ফোনে রিসিভ করে পরিচয় জানতে চান।  সাংবাদিকে নাম শুনেই তিনি এটা মাসুম বিল্লাহর নাম্বার নয় বলে ফোন কেটে দেন।