ঝালকাঠিতে পিতা কর্তৃক সন্তান বিক্রির অভিযোগ, মায়ের আর্তনাদ! প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা। 

ঝালকাঠিতে পিতা কর্তৃক সন্তান বিক্রির অভিযোগ, মায়ের আর্তনাদ! প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা। 
ছবিঃ ভিডিও থেকে সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঘটনাটি ঘটেছে ঝালকাঠী জেলার নলছিটি উপজেলার ফায়ারসার্ভিস এলাকায়। মুন হাওলাদার নামে এক ইউটিউব চ্যানেল থেকে ভিডিও বার্তায় গত ২১ সেপ্টেম্বর এক অসহায় নারী  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা বরাবরে এ অভিযোগটি করেন। অভিযোগে তিনি নিজেকে সুমাইয়া আক্তার রিমি (২৩) নামে পরিচয় দেন। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সুমাইয়া আক্তার রিমির জন্ম নলছিটি পৌরসভার ০৮ নং ওয়ার্ডের অনুরাগ এলাকায়। তার বাবার নাম মো: জাকির হোসেন। দীর্ঘ ৬ বৎসর পূর্বে একই উপজেলার মালিপুর ১নং ওয়ার্ডের ফায়ারসার্ভিসের নিকটস্থ বাসিন্দা মকবুল হোসেনের ছেলে মামুনুর রশিদ এর সাথে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। 

বর্তমানে তাদের ৪(চার) বৎসরের এটি কন্যা সন্তানও রয়েছে।সম্প্রতি সুমাইয়া আক্তার অন্ত:স্বত্তা হলে স্বামী মামুনুর রশিদ তাকে বিভিন্ন ভাবে তার গর্ভে থাকা ০৭ মাসের সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। এমনকি একলক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে ক্রেতাও প্রস্তুত রাখেন। এহেন ঘটনার প্রতিবাদ করাতে অভিযুক্ত সুমাইয়া কে বিভিন্ন সময়ে শারিরীক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন ও হয়রানী করে থাকে স্বামী মামুনুর রশিদ। এমনকি পরিবারের ভরনপোষন এবং আনুষঙ্গিক খরচাদি প্রদান থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন স্ত্রী সুমাইয়া। 

বর্তমানে একজন অসহায় মা হিসেবে সুমাইয়া আক্তার রিমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট বিনীত ভাবে প্রতিকার ও সহায়তা প্রার্থনা করছেন। তিনি তার ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করেছেন, এ যাবৎ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরারবে ১২ টি চিঠি লিখেছেন তিনি। সরারসরি তেজগাঁও চার নম্বর গেটে কিংবা ডাকযোগে চিঠিগুলো পাঠানোর চেস্টা করেছেন তিনি। সুমাইয়া নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিনি প্রোফেসর ডক্টর শামসুলহুদা হারুন চৌধুরী সাহেবের আপন ভাগ্নি বলে দাবী করেন। এ ছাড়াও তিনি তার ভিডিও বার্তায় একজন অসহায় নারী হিসেবে নিজের সকল প্রকার অসহায়ত্বের কথা এবং প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর থেকে প্রাপ্ত নিজের প্রতি অবহেলার কথাগুলো তুলে আনেন।

মুন হাওলাদার ওরফে সুমাইয়া আক্তারের ভিডিওটির লিংক প্রদান করা হলো - https://youtu.be/nL7r4F-P_cQ