দেশে সম্প্রতি সংঘটিত শিক্ষক হত্যা, নির্যাতনের প্রতিবাদে জবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন 

মানববন্ধনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, আমি আজ কাঁদতে আসেনি কিন্তু প্রতিবাদ করতে এসেছে। আমি মনে করি একজন শিক্ষককে হত্যা করা মানে বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে হত্যা করা। একজন শিক্ষককে জুতার মালা পড়ানো মানে ১৮ কোটি মানুষকে জুতার মালা পড়ানো। আমরা এভাবে আর মানববন্ধনে দাঁড়াইতে চাই না। শুধু এসব দুষ্কৃতিকারীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। 

দেশে সম্প্রতি সংঘটিত শিক্ষক হত্যা, নির্যাতনের প্রতিবাদে জবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন 

তানভীর আহমেদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবির) শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে সম্প্রতি সারাদেশে সংঘটিত শিক্ষক হত্যা, নির্যাতন ও নিপীড়নের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

(বৃহস্পতিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে শিক্ষক সমিতির আয়োজনে এ মানববন্ধন প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে শিক্ষকরা বলেন, নড়াইলে শিক্ষকের সাথে খুবই নেক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। আমরা চাই ছাত্র শিক্ষকের সাথে সব সময় মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠুক কিন্তু সম্প্রতি একটি অশুভ শক্তি অর্ক কে বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে। 

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে শিক্ষকরা আরও বলেন, সারা জীবন শিক্ষকরা শুধু তাদের জ্ঞান ও শ্রম মেধা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিলিয়ে দিচ্ছে যার ফলশ্রুতিতে শিক্ষকরা এই লাঞ্ছনা উপহার পাবে এত খুবই দুঃখজনক এই সমাজেল, দেশ, তথা পুরো জাতির জন্য। 
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, নড়াইলের শিক্ষককে যখন জুতার মালা পড়ানো হয়েছে এটা শুধু একজন শিক্ষককে পড়ানো হয়নি। সারাদেশের শিক্ষককে সমাজকে জুতার মালা পড়ানো হয়েছে। এ দেশকে যারা স্বাধীনতা করেছে তারা কখনো এসব চিত্র দেখার জন্য না স্বাধীনতা করেনি। 
কামালউদ্দীন আরও বলেন, শিক্ষকদের উপর এ ধরনের হামলা তো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল না। বর্তমান সরকারের এতো এতো উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু কিছু কুচক্রী মহল সবকিছু ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। অপরাধীদের গ্রেফতার করা হয়েছে আমরা দ্রুত সরকারকে বলবো তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।   
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক বলেন, সারাদেশে শিক্ষকদের নিয়ে যেসমস্ত ঘটনা ঘটেছে তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। সকল অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে এসে দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জোর দাবি জানাচ্ছি।  
মানববন্ধনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, আমি আজ কাঁদতে আসেনি কিন্তু প্রতিবাদ করতে এসেছে। আমি মনে করি একজন শিক্ষককে হত্যা করা মানে বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে হত্যা করা। একজন শিক্ষককে জুতার মালা পড়ানো মানে ১৮ কোটি মানুষকে জুতার মালা পড়ানো। আমরা এভাবে আর মানববন্ধনে দাঁড়াইতে চাই না। শুধু এসব দুষ্কৃতিকারীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। 
এসময় মানববন্ধনে অংশ নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সদস্যরা, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, অনুষদের ডিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, একাধিক বিভাগের শিক্ষক - শিক্ষার্থীসহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।