নান্দাইলে শসার ফলনে চাষীদের মুখে হাসি

নান্দাইলে শসার ফলনে চাষীদের মুখে হাসি
ছবিঃ সংগৃহীত

আরএন শ্যামা।।নান্দাইল,২১ এপ্রিল।।বাম্পার ফলনের আশায় নান্দাইলে ব্যাপক শসার আবাদ হয়েছে।করোনা পরিস্থিতে পবিত্র রমজান মাস থাকায় শসার চাহিদাও ব্যাপক।ভালো দাম ও পাচ্ছেন চাষিরা।সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নে শসার আবাদ করা হয়েছে। বাম্পার ফলনে আবহাওয়া অনুকুল থাকায় এবছর উন্নত জাতের বীজ বপন করেছে শসা চাষিরা।বীজ বপনের ৩৫-৪০ দিনে মধ্যে শসা গাছে ধরে।এরই মধ্যই চাষিরা শসার পরিচর্যায় ব্যস্থ সময় পার করছেন।জমিতে আগাছা পরিষ্কার করা,সময়মত কীটনাশক প্রয়োগ, প্রয়োজন মত পানি সেচ দেওয়া হচ্ছে শসা জমিতে।উপজেলার, মোয়াজ্জেমপুর, বীর বেতাগৈর,চর বেতাগৈর,খারুয়া,সিংরইল ইউনিয়নে বেশি শসার চাষ হয়েছে। কৃষি অফিস তথ্য মতে এ বছর উপজেলার ২৭৫ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ২৩৫০ মেট্টিক টন।মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের মোয়াজ্জেমপুর গ্রামের কৃষক সবুজ শেখ বর্গা নিয়ে ২৫ শতাংশ জমিতে উন্নত জাতের শসা চাষ করেছেন। আশানুরুপ ভাল ফলন হয়েছে দামও বেশি পাচ্ছেন বলে তিনি জানান।মধ্যসত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি পাইকারদের কাছে ১৫শত টাকা মণে শসা বিক্রি করতে পারছি।প্রতিদিন ট্রাকে করে এলাকা থেকে শসা নিয়ে যাচ্ছে ঢাকায়।বেতাগৈর ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুর গ্রামের আরিফ হাসান জানান,এ বছর ৫০ শতাংশ জমিতে শসার আবাদ করেছেন। গাছে ভাল ফলন হয়েছে ২ দিন পর পর ৩০-৩৫ মন করে শসা বিক্রি করছেন।খুচরা বাজারে ৪০ টাকা কেজি শসা বিক্রি করছি।নান্দাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আনিসুজ্জামান বলেন- আবহাওয়া অনুকুল থাকায় শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ প্রদাণ করা হচ্ছে। ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের আধুনিক চাষের কলাকৌশল সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।