নলছিটি দু'টি টি/আর প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগঃটাকা ফেরতের নির্দেশ 

নলছিটি দু'টি টি/আর প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগঃটাকা ফেরতের নির্দেশ 
ছবিঃ সংগৃহীত

মানিক হাওলাদার স্টাফ রিপোর্টার।।ঝালকাঠি জেলার নলছিটি পৌরসভায় ২০২-২১ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ ২য় পর্যায়ে( টি/আর নগদ টাকা) দু'টি প্রকল্পের একটিতে কোন কাজ সম্পন্ন না করার এবং অপর একটিতে সামান্য কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা(পিআইও) একটি প্রকল্পের ৫০ হাজার টাকা ফেরত এবং অপর প্রকল্পে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। 

অভিযোগে প্রকাশ, নলছিটি পৌরসভার টি/আর প্রকল্পের ক্রমিক নম্বর-০৩ প্রকল্পের নাম " বৈচন্ডি বীর মুক্তিযোদ্ধা লেহাজ উদ্দীন বিডিয়ার এর বাড়ির রাস্তা মাটির কাজ করন" বরাদ্দ নগদ-৫০ হাজার টাকা। এই প্রকল্পে সভাপতি হয়েছেন নলছিটি পৌরসভার ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর খাদিজা বেগম। তিনি প্রকল্পে বরাদ্দকৃত সমুদয় টাকা উত্তোলন করলেও বিগত ৩০ জুনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার কথা। কিন্তু অদ্যাবধি ওই প্রকল্পে কাজ না করে সমুদয় টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন বলে বৈচন্ডি গ্রামের কতিপয় বাসিন্দা লিখিতভাবে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন। এছাড়াও নলছিটি পৌরসভার টি/আর প্রকল্পের ক্রমিক নম্বর ০৪ প্রকল্পের নাম-"শিতলপাড়া কালাম তালুকদারের বাড়ীর রাস্তার দুই পাশে মাটি দিয়ে রাস্তা মেরামত " বরাদ্দ নগদ-৫০ হাজার টাকা। প্রকল্প সভাপতি ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল চৌধুরী উক্ত টাকা উত্তোলন করে মাত্র ৯ হাজার ৯শত টাকার কাজ সম্পন্ন করেছেন বলে প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক কামরুল তালুকদারসহ সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পিআইওকে নির্দেশ দেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিজন কুমার খরাতি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রকল্প নম্বর-০৪ এর সভাপতিকে সমুদয় কাজ সম্পন্ন করে মাষ্টাররোল দাখিল এবং প্রকল্প নম্বর-০৩ এর সভাপতিকে প্রকল্পের কাজ না করায় ৫০ হাজার টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। 
এ ব্যাপারে ৩ নম্বর প্রকল্পের সভাপতি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর খাদিজা বেগম বলেন, তিনি ওই প্রকল্পে কাজ না করে অন্য এক জায়গায় জরুরি কাজ সম্পন্ন করেছেন। ৪ নং প্রকল্পের সদস্য সচিব কামরুল তালুকদার বলেন,সভাপতি নিজ ক্ষমতাবলে মাত্র ১৮ জন শ্রমিমকে দিয়ে ৯ হাজার ৯ শত টাকার কাজ সম্পন্ন করেছে। বাকী টাকার কাজ না করেই অফিসে ভুয়া মাষ্টাররোল দাখিল করতে পারে জেনেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দায়ের করেছি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিজন কুমার খরাতি এ প্রতিবেদককে বলেন, সরেজমিনে তদন্তে প্রকল্প ৩ এ কোন কাজ না করায় টাকা ফেরত এবং প্রকল্প নম্বর ৪ এ সামান্য কাজ করায় বাকী টাকার কাজ সম্পন্ন করে মাষ্টাররোল দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।