পেট্রোল শূন্য ফিলিং স্টেশন ,খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ।

পেট্রোল শূন্য ফিলিং স্টেশন ,খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ।
ছবি: সংগৃহীত

বিকাশ রায় চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার।।ঠকুরগাঁওয়ে ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে বিশেষ করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা।কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে অকটেন পাওয়া গেলেও ১০০ টাকার বেশী দেওয়া হচ্ছে না। এক ফিলিং স্টেশন থেকে আরেক ফিলিং স্টেশনে গেলেও পাওয়া যাচ্ছে না তেল। ফিলিং স্টেশন গুলোতে পেট্রল অকটেন না থাকলেও খোলা বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সদর উপজেলার বকসের হাট, রাজাগাঁও ঢোলারহাট ও ভগদগাজী বাজারে বোতলে করে বিক্রি করা হচ্ছে পেট্রল ও অকটেন। দুদিন আগেও যে তেলের বোতলটি বিক্রি হতো ১০০ টাকায় একই বোতলের দাম এখন ১৪০ টাকা। প্রতি লিটারে খোলা বাজারে ৪০ টাকা অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

একদিকে ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধি, অপরদিকে জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত মূল্য। উপায় না পেয়ে চড়া দামে পেট্রল  অকটেন কিনতে হচ্ছে যানবাহন চালকদের।

খোলা বাজারে তেল কিনতে আসা মোটরসাইকেল চালক আরিফ হোসেন বলেন, শহরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল পেলাম না। গাড়িতে তেল প্রায় শেষ। আরও ত্রিশ কিলোমিটার গাড়ি চালাতে হবে৷ খোলা বাজারে কিনলাম এক বোতল ১৪০ টাকা দামে৷ এক লিটার তেলে চল্লিশ টাকা বাড়তি দিয়ে কিনতে হলো।  উপায় না পেয়েই কিনেছি৷ বাসায় যেতে হবে এজন্য। আরেক ক্রেতা আনোয়ার বলেন, সয়াবিন তেলের দাম বাড়লো, এবার পেট্রল অকটেন এর বাড়ানোর জন্য মিলছেনা। পাম্পে পেট্রল আর অকটেন নেই। তাহলে খোলা বাজারের দোকানদারেরা কোথা থেকে পাই? বোতলে করে বিক্রি করে তাও আবার ত্রিশ থেকে চল্লিশ টাকা বেশীতে।আমি বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি৷নাম প্রকাশেঅনিচ্ছুক এক তেল বিক্রেতা জানান,আমার কাছে ৫০ লিটার পেট্রল রয়েছে।আমি একজনের কাছে প্রতি লিটার। একশো বিশ টাকা করে কিনেছি। আমার যাতায়াত খরচ ও লাভসহ আমি প্রতি লিটার একশো চল্লিশ টাকা করে বিক্রি করছি। যারা বোতলে করে বিক্রি করছে তারা সবাই এইরকম দামে বিক্রি করছে পেট্রল ও অকটেন৷

ফিলিং স্টেশনগুলোতে কবে নাগাত পেট্রল  অকটেন পাওয়া যাবে  প্রশ্নের জবাবে ঠাকুরগাঁও পেট্রল পাম্প অনার্সঅ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এনামুল হক জানান, ডিপোতেগাড়ি পাঠানো হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে  ভোগান্তি দূর হবে বলে আমরা আশা করছি৷ এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ঠাকুরগাঁওয়ের সহকারী পরিচালক শেখ সাদী জানান, আমরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।যারা অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷