পনেরো বছর পর খুঁজে পেলো রাজিয়া তার পরিবারকে

পনেরো বছর পর খুঁজে পেলো রাজিয়া তার পরিবারকে

পনেরো বছর পর খুঁজে পেলো রাজিয়া তার পরিবারকে

জাহিদুল হাসান জাহিদ/স্টাফ রিপোর্টার।। পাঁচ বছর বয়সে ঢাকার জুরাইন এলাকায় রাজিয়া হারিয়ে যায়।ছোট রাজিয়া ওই এলাকায় কাঁদতে থাকে। তখন কান্নারত রাজিয়াকে দেখতে পায় নীলফামারীর সৈয়দপুরের আলমাস মিয়ার ছেলে শাহিন।রাজিয়ার কাছে জানতে পারে, তার বাবা তাকে এখন থেকে নিয়ে যাবে কিন্তু পিতা আর আসেনি।অনেক খোঁজাখুজি করেও রাজিয়ার পিতা মাতার সন্ধান পায়নি।শাহিন তখন তার নিজের পিতা মাতার কাছে সৈয়দপুরে নিয়ে আসে রাজিয়াকে।সেই থেকে রাজিয়া শাহিনের পরিবারে বড় হয়ে উঠে।রাজিয়াকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করানো হয়এবং সেই সঙ্গে আরবি কোরআন শরীফও শিক্ষা দেওয়া হয়। যেহেতু ছেলে শাহিনকে বিবাহ দিতে হবে তখন পিতামাতা রাজিয়াকে দিয়ে তার বিবাহ দেন।তাদের দুইটি সন্তান।প্রথম সন্তান মেয়ে আর দ্বিতীয় সন্তান ছেলে।ভালই যাচ্ছিল তাদের সংসার জীবন। হঠাৎ গত ১৫ মার্চ রাতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মন-মালিন্য সৃষ্টি হয়।এক পর্যায় রাজিয়া স্বামীর পরিবারের কাউকে কিছু না বলে বাড়ী থেকে বের হয়ে যায়।আশ্রয় নেয় নিচু কলোনীর হাজী মোঃআব্দুর সালাম সর্দারের বাসায়।হাজী সালাম বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,গন্যমান্য ব্যক্তির মাধ্যমে সৈয়দপুর থানায় জানান।থানায় দেওয়া রাজিয়ার তথ্য অনুযায়ী তার পিতার নাম আব্দুল জব্বার মাতার নাম মাজেদা বাড়ী বাঘের হাটের রামপালে। বাগেরহাট থানা যোগাযোগ করে রাজিয়ার পরিবারকে খবর দেয়। মা ভাই ও ফুপাত ভাই সৈয়দপুরে আসেন। দীর্ঘ পনেরো বছর পর মেয়েকে পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন রাজিয়ার মা।

 শুক্রবার(১৯মার্চ)বিকালে নিচু কলোনীর হাজী আব্দুর সালামের বাসায় সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সানজিদা আকতার লাকীর সভাপতিতে ঘরোয়া বৈঠক হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন,৮নং ওয়ার্ডের নবনিবার্চিত কাউন্সিলর বেলাল আহম্মেদ,ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান রাজা,সহ-সভাপতি জর্জিস,মিডিয়া কর্মী সহ এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তির উপস্থিতে স্বামী স্ত্রীর মন-মালিন্যের সমাধান করা হয় এবং সকলের উপস্থিতে রাজিয়কে তার মায়ের কাছে তুলে দেওয়া হয়।