পুলিশের এএসআই পেয়ারুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন

পুলিশের এএসআই পেয়ারুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন
ছবিঃ সংগৃহীত

তৌহিদুল ইসলাম।।স্টাফ রিপোর্টার।।রংপুরের হারাগাছে মাদককারবারীর ছুড়িকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পুলিশের এএসআই পেয়ারুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেছেন। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে নিহত এএসআই'র জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসপি সদর সার্কেল মো. আলতাবুর রহমান, রাজারহাট উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদ সারোয়ারদী বাপ্পী, রংপুর হারাগাছ থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার, রাজারহাট থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজু সরকারসহ শত শত এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। 

রংপুরের এএসপি আলতাবুর রহমান বলেন, নিহত এএসআই পেয়ারুল ইসলাম অত্যান্ত মেধাবী ও স্মার্ট সহকর্মী ছিলেন। মাদক বিরোধী অভিযানে তার স্পেশাল প্রতিজ্ঞা ছিল। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সেবা সপ্তাহের মাদকবিরোধী অভিযানের সময় দুষ্কৃতিকারীর ছুরির আঘাতে আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তিনি আরও বলেন, ১৫২ পিস ইয়াবা ও ছুরিসহ পলাশকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।মাদকবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে।

নিহত পেয়ারুল ইসলামের ব্যাচমেট মো. ওবায়দুল হক জানান, আমরা একজন ভালো সহযোদ্ধাকে হারালাম। তিনি অত্যান্ত সাহসী ও মেধাবী সহকর্মী ছিলেন। আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

প্রতিবেশী মো. আমীর ফয়সাল বলেন, পেয়ারুলকে ছোটবেলা থেকে দেখেছি সে খুব সাহসী ছেলে ছিল। এলাকায় তার বেশ সুনাম আছে। ভদ্র, নম্র ও মেধাবী একজন মানুষকে হারালাম। 

নিহত পেয়ারুল কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামে আব্দুল রহমান মিন্টুর ছেলে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় পিয়ারুল। তিনি দুই ছেলে সন্তানের জনক। 

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদককারবারীকে ধরতে যান এএসআই পেয়ারুল ইসলামসহ আরও তিন পুলিশ সদস্য। সেখানে পলাশ নামে একজনকে গাঁজাসহ আটক করেন তিনি। পলাশের কাছে থাকা চাকু দিয়ে পেয়ারুল ইসলামের বুকে আঘাত করেন ওই মাদক ব্যবসায়ী। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পেয়ারুল ইসলামকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার তার মৃত্যু হয়।