বাউফলে আ.লীগের বিদ্রোহী ৭ প্রার্থী বহিস্কার

বাউফলে আ.লীগের বিদ্রোহী ৭ প্রার্থী বহিস্কার
ছবিঃ সংগৃহীত

মো.ফোরকান,বাউফল,পটুয়াখালী।।০১ এপ্রিল-২১, বৃহস্পতিবার।।পটুয়াখালীর বাউফল আওয়ামীলীগের ৭ নেতাকে দল থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। গত ২৯ মার্চ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আ.স.ম ফিরোজ (এমপি)স্বাক্ষরিত বহিস্কারের ওই চিঠি বুধবার রাতে বহিস্কৃতদের কাছে  পৌছে দেয়া হয়েছে।  

পৃথক পৃথক চিঠির মাধ্যমে তাঁদেরকে দল থেকে অব্যহতি দিয়ে বহিস্কার করা হয়েছে এবং চিঠির অনুলিপি কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। 

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে বাউফল উপজেলার ৯ টি ইউনিয়ন নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ওই নির্বাচন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বঞ্চিতরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এতে বিব্রতকর অবস্থার মুখোমুখি হন উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দরা। নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বঞ্চিতরা যাতে ভাটে কোন প্রভাব ফেলতে না পারে সে জন্য দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থীদেরকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। বহিস্কৃতরা হলেন, কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আবুল বশার খান তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক এনামূল হক অপু, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক আলকাচ, আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিকদার, ধূলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আনিচুর রহমান রব ও কনকদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য মিজানুর রহমান হিরন। এছাড়া, গত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও একই  ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মহিউদ্দিন আহম্মদ লাভলু আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে চশমা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।  তিনি নির্বাচনে অংশ নেয়ার আগেই কেশবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি রুমেন তালুকদার ও তাঁর চাচাতো ভাই ইউনিয়ন ছাত্রলীগ কর্মী ইশাত তালুকদারকে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ দায়ের করা মামলার প্রধান আসামী হওয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিস্কৃত হন।।