বাউফলে কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ধানকেটে নিল প্রতিপক্ষ

বাউফলে কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ধানকেটে নিল প্রতিপক্ষ
ছবিঃ সংগৃহীত

মো.ফোররকান,বাউফল. পটুয়াখালী।।২১ এপ্রিল২১, বুধবার।।পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মল্লিকডুবা গ্রামের কামরুজ্জামানের রোপন কৃত ক্ষেতের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভিতি দেখিয়ে কোটের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরি ধান কেটে নিয়েছে একই গ্রামের প্রতিপক্ষ বিবাদী মকবুল (৫৫),আঃ হক (৬৫),রিন্টু (৪৫) গংরা। গত মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) কেশবপুর মল্লিকডুবা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

অভিযোগকৃত কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের কাছে বলেন ,আমার বাপ দাদারা পূর্বপুরুষ থেকে পৈত্রিক দখলকৃত জমি খাজনা ,দাখিলা পরিশোধ করিয়া ভোগ দখল ও চাষাবাদ করিয়া আসিতেছে। বিবাদীদের সাথে আমার পৈত্রিক জমি জমা ভাগ বন্টন নিয়া পূর্ব হইতে বিরোধ থাকায় আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। বিবাদীদের নামে ২০১৮ সালের জুলাই মাসে পটুয়াখালী যুগ্ন জেলা ২য় আদালতে একটি  দেওয়ানী মামলা দায়ের করা হয়েছে যার নং  ১৫০ এবং মামলাকৃত জমির উপরে গত ১৫ই ফেব্রুয়ারি-২০২১ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর প্রতিপক্ষ গায়ের জোরে রোপনকৃত ইরি ধানসহ ক্ষেতের অন্যান্য ফসল কেটে নিয়ে যাবে এবং বিভিন্ন ধরনের মামলা দিয়ে হয়রানি করবে বলে ভয়ভীতি দেখায়। জমির ধারে কাছে গেলে খুন জখম করিবে বলেও হুমকি দেয়।বিবাদীরা জোড়পূর্বক রোপন করা ইরি ধান কেটে নিবে এই আংশকায় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল রেখে বর্তমান মাসের ১৩ই এপ্রিল-২০২১ বাউফল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিলে থানা পুলিশ বিবাদীদের মৌখিক ভাবে জমির ধান কাটতে নিষেধ করে। থানা পুলিশের নিষেধ করার সত্তেও বিবাদীরা লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে জোড় পূর্বক  মঙ্গলবার রোপনকৃত ক্ষেতের ইরি ধান কেটে নিয়ে যায়। তাতে আমার চাচা বজলুল হক আকন বাধা দিতে গেলে তাকে ক্ষেতের কাছ থেকে সরে যেতে বলে না হয় মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়।
বিষয়টি বাউফল থানা এএসআই সাইফুল ইসলামকে জানালে তিনি বলেছেন দেখতেছি। কিন্তু বিবাদীদের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।