বাউফলে কলেজের কর্মচারীকে হাতুড়িপেটা ও কুপিয়ে জখম

বাউফলে কলেজের কর্মচারীকে হাতুড়িপেটা ও কুপিয়ে জখম
ছবি: সংগৃহীত

মো ফোরকান। বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নওমালা আবদুর রশিদ মিয়া ডিগ্রী কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো.শাহজাহানকে (৪৫) আজ বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) হাতুড়িপেটা ও কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। 

আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও আহত ব্যক্তির স্বজনেরা জানান, আজ বিকেলে কলেজ থেকে অটোগাড়িতে করে শাহজাহান বাড়ি ফিরছিলেন। বিকেল পৌনে তিনটার দিকে নওমালা আবদুর রশিদ মিয়া ডিগ্রী কলেজের পূর্ব পাশে একই কলেজের শিক্ষক মোসা. নাসিমা বেগমের বাড়ির সামনে পৌঁছালে স্থানীয় বাসিন্দা মো. সজীব খান (২৫) ও মো. ঈমাম হোসেন মোল্লা (২৫) অটোগাড়ির গতিরোধ করে শাহজাহানকে জোরপূর্বক নামিয়ে ডান পায়ে হাতুড়িপেটা ও কুপিয়ে জখম করে চলে যান।

আহত শাহজাহানের ছোট ভাই মো. মহসীন অভিযোগ করেছেন, ২০১১ সালের ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নওমালা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই নির্বাচনে তাঁদের পরিবার স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহজাদা হাওলাদারের পক্ষ করেন এবং নির্বাচনে তাঁদের প্রার্থী হেরে যান। এরপর বিজয়ী আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেনের সমর্থক সজীব ও ঈমাম এক লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে তাঁদের ঘরে হামলাসহ তাঁকে (মহসীন) ও তাঁর ভাই শাহজাহানের ছেলে আবু নোমানকেও দুই দফায় মারধর করে। 
দাবি করা চাঁদা না দেওয়ায় আজকে ফের তাঁর বড় ভাই শাহজাহানকে হাতুড়িপেটা ও কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। 

ঈমাম ও সজীবের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তাঁদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

নওমালা ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন বলেন, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।