বাউফল থানা থেকে বিচার প্রার্থী এক নারীকে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ

বাউফল থানা থেকে বিচার প্রার্থী এক নারীকে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

মো. ফোরকান।। বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।পটুয়াখালীর বাউফল থানা থেকে গভীর রাতে বিচার প্রার্থী এক নারীকে মারধরের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক  এসআই’র বিরুদ্ধে। 

ওই বিচার প্রার্থী উপজেলার বাউফল সদর ইউনিয়নের গোসিংগা গ্রামের জোসনা রানী দাস (৫০)। 

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে জোসনা রানী দাস  প্রতিপক্ষ গৌতম কুলুর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে বাউফল থানায় গেলে এসআই প্রসেঞ্জিত তাকে গাল মন্দ করেন এবং মারধরের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেন । 

জোসনা রানী দাস অভিযোগ করেন, তার স্বামী গৌতম কুলুর সাথে প্রতিবেশী জগবন্ধু কুলুর জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে ঘটনার দিন শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে  জগবন্ধু কুলু, জয় কুলু ও উত্তম কুলু তার স্বামী গৌতম কুলু ও ছেলে গকুল কুলুর ওপর হামলা করে। এসময় তিনি স্বামী ও ছেলেকে রক্ষার জন্য এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করে। এরপর তিনি  আহত স্বামী ও ছেলেকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে রাত ১১টার দিকে  অভিযোগ জানাতে বাউফল থানায় গেলে মামলা করতে এসআই প্রসেনজিৎ তার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। এসময় তিনি ওই এসআইকে বলেন, আমার কাছে এই মুহূর্তে এতগুলো টাকা নেই। তখন  এসআই প্রসেনজিৎ ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, একপক্ষ ১০ হাজার টাকা দিয়ে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তোমাকে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। না হয় থানা থেকে বেড় হয়ে যাও। এই কথাবার্তার এক পর্যায়ে এসআই প্রসেনজিৎ তাকে গালমন্দ করেন এবং থানা থেকে বেড় হয়ে না গেলে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দেন। এরপরও তিনি কিছু সময় থানায় অবস্থান করলে এসআই প্রসেনজিৎ তাকে তাড়িয়ে দেন। 

এবিষয়ে অভিযুক্ত এসআই প্রসেনজিৎ সাংবাদিকদের বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। স্থানীয় চেয়ারম্যান বিষয়টি মিমাংসার জন্য বলেছেন। তার কাছে টাকা দাবি ও বের করে দেওয়ার অভিযোগ সঠিক না।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন সাংবাদিকদের বলেন, এবিষয়ে আমি অবগত নেই। তবে অভিযোগকারী অভিযোগ দাখিল করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।