বাউফলে ভালো নেই লঞ্চ ঘাটের ঘাট শ্রমিকরা

বাউফলে ভালো নেই লঞ্চ ঘাটের ঘাট শ্রমিকরা
ছবিঃ সংগৃহীত

মো.ফোরকান,বাউফল, পটুয়াখালী।। ১৬ মে,রবিবার।।ভালো নেই পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নদীন্দর গুলোর লঞ্চঘাট শ্রমিকরা। করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনের কারনে দেশব্যাপি লঞ্চ চলাচল বন্ধের কারনে তাদের করুন অবস্থা। শ্রমিকদের অভিযোগ, দেশের বিভিন্ন এলাকার ঘাট শ্রমিকদের সরকারের বিভিন্ন পর্যায় সহযোগীতা পেলেও তাদের ভাগ্যে জোটেনি কোন সহায়তা।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, ১৪ এপ্রিল থেকে দেশ ব্যাপি সরকার লকডাউন ঘোষনা করলে সকল প্রকার গণপরিবহন বন্ধ থাকে। সরকার ৫ মে থেকে লকডাউন শিথিল করে গণপরিবহন জেলা ভিত্তিক চলাচলের অনুমতি দিলেও লঞ্চচলাচল বন্ধই থাকে।
ঘাট শ্রমিক সংগঠন সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৮টি লঞ্চঘাট রয়েছে। এ সকল ঘাট শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় শতাধিক।লঞ্চচলাচল বন্ধ থাকার কারনে শ্রমিকরা বেকার জীবন যাপন করছেন। নেই কোন আয় রোজগার।
উপজেলার কালাইয়া বন্দর লঞ্চঘাট শ্রমিকের সভাপতি কালু সরদার বলেন,এই ঘাট প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রায় ত্রিশজন শ্রমিক আছে। যারা শতভাগ লঞ্চ চলাচলের উপর নির্ভরশীল। এ সকল শ্রমিক পরিবারের সদস্যরা মানবিক জীবন যাপন করছেন।
বগা বন্দর লঞ্চ ঘাটের শ্রমিক শাহ আলম বলেন,আমাদের জেলা বন্দর লঞ্চঘাটের শ্রমিকদের করোনাকালিন সময় সহযোগীতা করলেও বাউফলে কেন পাবে না। আমরা ঈদের আগ থেকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগীতা দাবী করছি। যাতে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে একটু ঈদ উৎসব পালন করতে পারি।
কালাইয়া বন্দর লঞ্চঘাট ইজারাদার মো. জামির বলেন,আমরা কি করতে পারি বলেন,ঘাট বন্ধ থাকায় আমাদেরতো আয় বন্ধ। তারপরেও চেষ্টা করবো ঘাট শ্রমিকদের জন্য কিছু করা যায় কিনা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, সরকার থেকে মুলত মটর শ্রমিকদের মধ্যে সহযোগীতা করার নির্দেশনা এসেছে। ঘাট শ্রমিকদের বিষয় কিছু করা যায় কিনা চেষ্টা করা হবে।