বাউফলে মিলের ধোঁয়া ও ছাইয়ের কারণে জনজীবন অতিষ্ট

বাউফলে মিলের ধোঁয়া ও ছাইয়ের কারণে জনজীবন অতিষ্ট
ছবিঃ সংগৃহীত

মো.ফোরকান,বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরের ধানহাটার পাশে (খালের পূর্ব পাড়) গড়ে ওঠা অটোরাইস মিলটি এখন বন্দর এলাকার পরিবেশ নষ্ট হওয়ার কারণ ।মিলটির নির্গত ধোঁয়া ও ছাইয়ের কারণে নষ্ট হচ্ছে অনেক গুলো বসতঘরের আসবাব পত্র। অপর দিকে  দেখা দিয়েছে বয়স্কদের শ্বাসকষ্ট । এঘটনার প্রতিকার চেয়ে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের বরাবরে লিখিত অভিযোগপত্র দিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী কয়েকজন বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী।

অভিযোগ সুত্রে ও সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বৃহত্তর ধানহাটার উত্তর পূর্ব পাশে আলাগী নদীর কুল ঘেষে গড়ে উঠেছে সিকদার অটো রাইস মিল। মিলের অদুরে উত্তর পাশে রয়েছে কালাইয়া হায়াতুননেছা বালিকা বিদ্যালয় ও বানিজ্যিক অঞ্চল কালাইয়া বন্দর। ওই মিলের কালো ধোঁয়া ও ছাই উত্তরের বাতাসে উড়ে গিয়ে বিদ্যালয়সহ বন্দরের মার্চেণ্ট ও গার্মেটস পট্টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। ছাইয়ের কারণে এলাকার বসত বাড়ির আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে কালো ধোঁয়া ও ছাই বাতাসে মিশে যাওয়ায় শ্বাস কষ্ট দেখা দিয়েছে।
কালাইয়া বন্দরের মার্চেন্ট পট্টি এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী এম.এ বাসার ডাব্লু প্রতিবেদককে বলেন, গত ২৫ দিন ধরে ঘর বন্ধ রেখে তাঁর মায়ের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। গত রবিবার (২৭ ডিসেম্বর) ঘর খুলে দেখেন ঘরের সকল কক্ষের দামী আসবাব পত্রসহ সকল জায়গায় ছাইয়ে ঢেকে গেছে। বাড়ির আশ পাশের গাছপালাগুলো ধোঁয়া ও ছাইয়ের কারণে বিবর্ণ হয়ে গেছে এবং তাঁর বৃদ্ধ মায়ের শ্বাসকষ্ট বেড়ে গিয়েছে। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে মিলের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।

মিলের অদুরে ধানহাট জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. নুরুল আমিন বলেন মিলের ধোঁয়ায় মসজিদের পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মুসল্লীদের নামাজ পড়তে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। 

এ বিষয়ে সিকদার আটো রাইস মিলের মালিক গনি সিকদার বলেন, শীতকালীন সময়ে ধোঁয়া ও ছাইয়ের প্রভাবটা দেখা দেয় । আমি দ্রুত সময়ের মধ্যে এর সমাধান করবো।

এ বিষয়ে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক শেখ কামাল মেহেদি অভিযোগপত্র পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।