বাউফল হাসপাতালের ছাদ ধস; প্রাণে বেঁচে গেলেন দুজন 

বাউফল হাসপাতালের ছাদ ধস; প্রাণে বেঁচে গেলেন দুজন 
ছবিঃ সংগৃহীত

মো.ফোরকান,বাউফল (পটুয়াখালী ) প্রতিনিধি।। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব রুমের ছাদের বড় অংশের পলেস্তারা খসে পরেছে। ওই সময়ে কক্ষে অবস্থানকারীরা প্রাণে রক্ষা পেলেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে হাসপাতালের বিভিন্ন সরঞ্জাম। গত সোমবার (২৯ নভেম্বর) বিকালে ওই দূর্ঘটনা ঘটলে এখনও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোভিট পরিক্ষা করানো হচ্ছে ওই কক্ষে। জানা গেছে, চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ (প্যাথলজি) মাহবুব আলম হাসপাতালে আসা একজন রোগীকে ল্যাব কক্ষে কোভিট-১৯ এর চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। সে সময় হঠাৎ করে ওই রুমের ছাদের প্রায় ৫ফুট অংশের পলেস্তার খসে নিচের দিকে পরে। বিকট শব্দে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে'র কর্মকর্তা কর্মচারি ও রোগীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পরে। অল্পের জন্য দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান তারা। পলেস্তার ধসের ফলে ল্যাব রুমের টেবিল চেয়ার সহ বেশ কিছু আসবাবপত্র ভেঙ্গে যায়। উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালে নির্মিত হাসপাতাল ভবনটি  দীর্ঘদিন যাবত ঝুঁকিপূর্ণ। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কক্ষ,জরুরী বিভাগ ও মহিলা পুরুষ ওয়ার্ডের ছাদসহ বিভিন্ন স্থানের ছাদের পলেস্তারা আগেই ধসে পরেছে। এছাড়াও ভবনটির বিভিন্ন যায়গায় ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ভবনটি পরিত্যাক্ত ঘোষনা না করায় হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রুগীদের সেবা দিয়ে আসছে। 

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা জানান, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আতংকের মধ্যে থেকে প্রতিনিয়ত চিকিৎসা সেবা দিতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে চিঠি দিয়ে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। আশা করছি আমাদের কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন। 
পটুয়াখালী জেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. জলিলুর রহমান জানান, ১০০শয্যা না  হলে নতুন ভবন নির্মাণ হবেনা। গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হলেও ১০০শয্যার তালিকায় বাউফলের নাম আসেনি। তবে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।