বাউফলে ৩জন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা দিয়ে চলছে ২৩৯ বিদ্যালয়

বাউফলে ৩জন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা দিয়ে চলছে ২৩৯ বিদ্যালয়
ছবিঃ সংগৃহীত

মো.ফোরকান,বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ২৩৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চলছে ৩জন উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা দিয়ে। ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এত বড় ১টি উপজেলায় মাত্র ৩জন কর্মকর্তা তদারকি করতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তর। ব্যহত হচ্ছে শিক্ষার সার্বিক ব্যবস্থাপনা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে,উপজেলায় ২৩৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে অঞ্চল ভিত্তিক ৯টি ক্লাষ্টার ভাগ করা হয়েছে।এর মধ্য কাছিপাড়া,কালিশুরি, নুরাইনপুর,বীরপাশা,বগা, নাজিরপুর,কালাইয়া,বাউফল সদর,ও মাধবপুর ক্লাষ্টার।নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ক্লাষ্টারে ১জন করে সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা থাকার বিধান থাকলেও সেখানে রয়েছে মাত্র ৩জন। এই ৩জন দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে উপজেলার ২৩৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
সুত্রে জানিয়েছেন, ৯জনের স্থানে ৩জন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা থাকায় ৯টি ক্লাস্টারকে ৩ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বগা, নাজিরপুর ও মাধবপুরের দায়িত্বে আছেন দেবাশিষ ঘোষ, নুরাইনপুর, বীরপাশা ও বাউফল সদররের দায়িত্বে আছেন সুজন হাওলাদার এবং কালিশুরি,কাছিপাড়া,কালাইয়া ক্লাষ্টারের দায়িত্বে আছেন অলিউল ইসলাম।
সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশিষ ঘোষ বলেন, প্রতি ক্লাষ্টারে গড়ে বিদ্যালয় রয়েছে ২৭টি। ৩টি ক্লাষ্টার মিলিয়ে মোট বিদ্যালয় আছে প্রায় ৮০টি। ১জন মানুষ ৮০টি বিদ্যালয় নিয়ম মেনে পরিদর্শন করে সার্বিক ব্যবস্থাপনা তদারকি করা কতটা কষ্টকর তা শুধু আমরাই জানি। অধিক শ্রম দিতে গিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে মানসিক চাপের। তারপরেও সর্বচ্চ শ্রম দিয়ে চেষ্টা করি বিদ্যালয়ের তথ্য সংগ্রহ,নিয়মিত মনিটরিং করা।
অলিউল ইসলাম নামের কর্মকর্তা বলেন,১টি বিদ্যালয় থেকে অপর ১টি বিদ্যালয়ের দুরত্ব গড়ে প্রায় ১কিলোমিটার।১জন সহকারি কর্মকর্তা দিয়ে ৩ ক্লাষ্টারের কাজ সত্যিই কষ্টদায়ক।তারপরেও আমরা আমাদের সাফল্য ধরে রাখতে শতভাগ চেষ্টা করে যাচ্ছি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রিয়াজুল হক জানান,এত বড় উপজেলায় যেখানে ৯জন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা থাকার কথা সেখানে ৩জন দিয়ে চালানো হচ্ছে। স্কূল তদারকি করতে খুবই হিমশিম খেতে হচ্ছে ।সহকারি কর্মকর্তরা কষ্ট করে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। 
জেলা প্রথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান বলেন,বিষয়টি আমাদের নজরে আছে।তবে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে না। উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক কার্যক্রম ভালো।