বকশীগঞ্জে সংস্কৃতি কর্মীদের অনুদান বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ: ইউ এন ও প্রশ্নবিদ্ধ 

বকশীগঞ্জে সংস্কৃতি কর্মীদের অনুদান বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ: ইউ এন ও প্রশ্নবিদ্ধ 
ছবিঃ সংগৃহীত

বকশীগঞ্জ(জামালপুর)প্রতিনিধি।। বকশীগঞ্জে কোভিড-১৯ ভাইরাস সংক্রমণ জনিত সমস্যার কারণে অসচ্ছল সংস্কৃতিসেবীদের নামে ৫,০০০/- টাকা স্বচ্ছলদের নামে প্রদান করায় সমালোচনা মুখে পড়েছেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা। 

৪ তারিখে বকশীগঞ্জে শিল্পকলা একাডেমীর সাথে জড়িত ৬জন শিল্পির নামে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে বিতরণ করেন ইউএনও। পরে এসব অনুদান প্রদানের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করলে কঠোর সমালোচনায় পড়েন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনমুন জাহান লিজা।

অনুদান প্রাপ্তদের মাধ্যে অলো শম্বু চন্দ্র সাহা, সঞ্জিব কুমার দে, অলোকা সাহা, লিপি সাহা, সাজ্জাদ হোসেন খান, এ.কে এম উসমান গনি ও গোপাল চন্দ্র সাহা।

অনুদান প্রাপ্তদের মাঝে অলোকা সাহা হচ্ছেন বকশীগঞ্জে সবচেয়ে বড় কাপড় ব্যবসায়ী ঝিলিক বস্ত্র বিতানের মালিক ঠান্ডু সাহার স্ত্রী। প্রতিদিন প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার উপরে এই দোকানে বেচাকেনা হয়।
শব্মু সাহাও একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও তার এক ছেলে ইংল্যান্ড প্রবাসী। মাঝে মধ্যেই তার ছেলে পাপন সাহা সাধারন দরিদ্র মানুষদের আর্থিক সহযোগিতা করে থাকেন।

লিপি সাহাও স্বচ্ছল । তার স্বামীর কাপড় ব্যবসায়ী লোকনাথ বস্ত্র বিতানের মালিক সুবাস সাহার স্ত্রী।

স্বচ্ছলদের নামে অনুদান দেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে সমালোচনা ঝড়। 

সালাম মাহামুদ নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লেখেন, সরকারি অনুদান সচ্ছলরাও হাত পেতে নেওয়ার অধিকার রাখে।
ছাত্রলীগ নেতা রাজ রাজন লেখেন মাস্ক খুলে দিলে সচ্ছল আর অসচ্ছল সহজেই ধরা পরতো।
ভাটি সাইফুল নামক ফেসবুক ব্যবহারকারী লেখেন উনারা যদি অস্বচ্ছল হয় তাহলে স্বচ্ছল কারা স্যার...?
তৌহিদ জামান লেখেন. ছিঃ লজ্জা লাগছে না? একজনের সন্তান থাকে বিদেশে তিনিও অস্বচ্ছল!এখানে একজন এই টাকার যোগ্য আর বাকি সবাই কি তা তদন্ত করে দেখা যেতে পারে ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনমুন জাহান লিজা এ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি মিটিংএ আছি বলেই কেটে দেন।