বিচিত্র ধর্মী আয়োজনে জবিতে শরৎ উৎসব পালন

বিচিত্র ধর্মী আয়োজনে জবিতে শরৎ উৎসব পালন
ছবি: সংগৃহীত

তানভীর আহমেদ, জবি প্রতিনিধি।। "শুভ্র-নীল শাড়ি পরে, মেঘের ভেলায় ভেসে, শরৎ এলো শিমুল তুলোয়,কাশফুলের দোলায় নেচে" 

এ স্লোগানকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শরৎ উৎসব ১৪২৯ অনুষ্ঠিত হয়। 

আজ (রোববার) বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে দিনব্যাপী এই আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ফুলের ঋতু শরৎতের আগমন উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জলন করা হয় পাশাপাশি কাশফুলের সৌরভ ছড়িয়ে দিতে শরৎ উৎসবের গান পরিবেশন করেন শিক্ষার্থীরা।এসময় ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা বাংলা গান, গানের সাথে নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। এদিকে উৎসব উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছেলেরা বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পোশাক পাঞ্জাবি এবং মেয়েরা শাড়ি পরে আসেন।

শরৎ উৎসবে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। তিনি বলেন, এ শরৎ উৎসব আমাদের সাংস্কৃতির একটি অংশ। এ ধরনের অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে। আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গন পিছিয়ে আছে বলে অনেক শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেঁচে নিয়েছে। 

উপাচার্য আরও বলেন, আমরা চাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং খেলাধুলায় এগিয়ে যাবে। তাহলে তাদের মানসিক শক্তি উন্নতি ঘটবে। 


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, আমি অত্যন্ত অভিভূত শরৎ উৎসবের আয়োজন দেখে। বিবিএ শিক্ষার্থীরা শুধু লাভ - ক্ষতির হিসাবই করে না সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এগিয়ে থাকে সবসময়। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন বলেন, বাঙালির সংস্কৃতির অংশ হিসেবে শরৎ উৎসব পালন করছি। এর মধ্যে দিয়ে আমরা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে দেশাত্মবোধে জাগিয়ে তুলার জন্য চেষ্টা করছি। আমাদের এ আয়োজন বাঙালির সংস্কৃতির সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিবে। 

তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে থাকা অপসংস্কৃতি দূর করবে এসব অনুষ্ঠান। আমরা শুধু ব্যবসা করবো না শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এগিয়ে নিবো।