বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অপ্রয়োজনীয় লাইট ও ফ্যান অফ রাখা সহ ব্যয় সাশ্রয়ে নাস্তার বদলে পানি সরবরাহের নির্দেশ- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীর

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অপ্রয়োজনীয় লাইট ও ফ্যান অফ রাখা সহ ব্যয় সাশ্রয়ে নাস্তার বদলে পানি সরবরাহের নির্দেশ- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট।। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অপ্রয়োজনীয়  লাইট ,ফ্যান ও এসি অফ রাখার জন্য আইসিটি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত পূর্বে নির্ধারিত সভায় সীমিত লাইট জ্বালিয়ে সভা পরিচালনার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

বিদ্যুৎ খরচ কমিয়ে  আনতে সরকারের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকাল ৮:৪০মি: আইসিটি টাওয়ারের অফিসে প্রবেশ করেই করিডোরের অপ্রয়োজনীয় সব লাইট বন্ধ করেন প্রতিমন্ত্রী। 
তিনি আইসিটি বিভাগের ১৫টি ফ্লোর এবং অফিস কক্ষ ঘুরে দেখেন।
অফিস, কিচেন, করিডরে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে দেখে প্রত্যেকটি দপ্তরে ঘুরে ঘুরে অপ্রয়োজনীয় সকল বৈদ্যুতিক বাল্ব ও এসি বন্ধের জন্য নির্দেশনা দেন তিনি।
এসময় যেসব কক্ষে বাইরে থেকে আলো আসার ব্যবস্থা রয়েছে সেই কক্ষ গুলোতে বাতি নিভিয়ে
পর্দা সরিয়ে  দিনের আলো ব্যবহার , এসি ব্যবহার সীমিত ও সন্ভাব্য ক্ষেত্রে বন্ধ রেখে এবং অফিসের কাজ পরিচালনায় এসি ২৫ ডিগ্রির ঘরে রাখার জন্য দপ্তর প্রধান ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন পলক।
 
যেসব রুমে কেউ নেই সেগুলোর পাওয়ারও বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশনা দেয়া তিনি । এসময় তিনি উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বলেন, বিদ্যুৎ জাতীয় সম্পদ। 
 করিডোরে কোনো লাইটের দরকার নেই।  অপ্রয়োজনীয় লাইট ,ফ্যান  এসি ব্যবহার করার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক আরো বলেন, বিদ্যুৎ ও ব্যয় সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে এক মাসের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি। তবে সে কাজটি নিজের ঘর থেকে শুরু করা দরকার। আর সেজন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন,  আমরা হিসাব করে দেখেছি আইসিটি বিভাগে ৭০ শতাংশ বিদ্যুৎ খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব। তিনি আমাদের মূল্যবান জাতীয় সম্পদ বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী সবার গুরুত্বপূর করেন।

আইসিটি বিভাগের অন্যান্য খরচ কমিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
তিনি বলেন অভ্যন্তরীণ মিটিংগুলোতে নাস্তা এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যয় কমিয়ে আনতে হবে । ব্যয় সাশ্রয়ে অভ্যন্তরীণ মিটিংগুলোতে নাস্তার বদলে শুধু পানি সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।