বাদিয়াখালী ত্রাণ ও পূনর্বাসন সংস্থার প্রকল্পে চাকুরি দেয়ার প্রলোভনে টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বাদিয়াখালী ত্রাণ ও পূনর্বাসন সংস্থার প্রকল্পে চাকুরি দেয়ার প্রলোভনে টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
সংবাদ সম্মেলনের ছবি/ আবু তাহের

আবু তাহের, গাইবান্ধা:  বাদিয়াখালী ত্রাণ ও পূনর্বাসন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ওমর ফারুকসহ একটি প্রতারক চক্র, মা ও শিশু স্বাস্থ্য প্রকল্পে চাকুরি দেয়ার প্রলোভন দিয়ে বেকার যুবক যুবতিদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রতিবাদ ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে  ১৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার ভুক্তভুগি বেকার যুবক-যুবতিরা গাইবান্ধার সাঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ।

 সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভুগিদের পক্ষে অরিফুর ইসলাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, গাইবান্ধার বাদিয়াখালী ত্রাণ ও পূর্ণবাসন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ওমর ফারুক গাইবান্ধা থেকে প্রকাশিত দৈনিক “গাইবান্ধার মূখ” প্রত্রিকায় বিগত ২০১৯ সালের ৩১ শে জানুয়ারী তারিখে উক্ত সংস্থার অধিনে মা ও শিশু স্বাস্থ্য প্রকল্পে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের জন্য নিয়াগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। 


এর প্রেক্ষিতে সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বেকার যুবক-যুবতিরা উক্ত প্রকল্পে চাকুরির জন্য আবেদন করলে পরিচালক ওমর ফারুক সেসময় সাঘাটা হাসপাতালে কর্মরত হেলথ টেকনিশিয়ান (ইপিআই) আব্দুর রাজ্জাক আমাদের সাথে যোগাযোগ করে বিভিন্ন পদের জন্য বিভিন্ন অংকের জামানতের টাকার বিনিময়ে  চাকুরি দেয়ার আশ্বাস দেন । 

তাদের কথামতো আমরা আব্দুর রাজ্জাকের  উপস্থিতিতে বিভিন্ন পদে চাকুরির জন্য জামানতের টাকা সংস্থার পরিচালক ওমর ফারুকের হাতে দেই।

 পরবর্তীতে বিভিন্ন পদে চাকুরি নিয়োগপত্র প্রদান করে আমাদের কর্ম কিংবা চাকুরির বেতন না দিয়ে  তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করেন ।


 সেই সুবাদে হেলথ টেকনিশিয়ান (ইপিআই) আব্দুর রাজ্জাক সাঘাটা উপজেলা হাসপাতাল থেকে বদলী নিয়ে অন্যত্রে চলে যান। 


পরে আমরা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ওমর ফারুকের সাথে যোগাযোগ করে তার কাছে চাকুরির বেতন অথবা জামানতের টাকা ফেরৎ চাইলে তিনি যাদের মাধ্যমে টাকা দিয়াছি তাদের সাথে যোগাযোগ করেন। 


এমতাবস্থায় আমাদের ধারণা সংস্থার পরিচালক  ওমর ফারুক, ইপিআই আব্দুর রাজ্জাক ও যোগসাজসে চাকুরির প্রলোভন দিয়ে  আমাদের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। 

শুধু আমাদের কাছ থেকেই নয়, সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ওমর ফারুক সহ একটি প্রতারক চক্র আত্মসাতের উদ্দেশ্যেই আব্দুর রাজ্জাকের মতো অসংখ্য দালালের মাধ্যমে গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার কয়েক হাজার যুব-যুবতিদের কাছ থেকে প্রকল্পের চাকুরির নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

 সূতারাং এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হলো , সেই সাথে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ওমর ফারুকসহ প্রতারক চক্রের সকল সদস্যকে দ্রুত গ্রেফতার, করে বেকার যুবক-যুবতির টাকা উদ্ধারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং বাদিয়াখালী ত্রাণ ও পূর্ণবাসন সংস্থার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ভুক্তভুগি মহল।