বনাঞ্চল থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে র‍্যাব ও বনবিভাগের যৌথ উদ্যোগ

বনাঞ্চল থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে র‍্যাব ও বনবিভাগের যৌথ উদ্যোগ
ছবি: সংগৃহীত

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন,  স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার, ১৯ জুলাই।। কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের খুটাখালী বনবিটের অধীনে পাহাড়ের বালু ও মাটি লুট বন্ধে কার্যকরী উদ্যোগ নিয়ে র‌্যাব-১৫ ও বনবিভাগ। ১৯ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. খায়রুল ইসলাম ও কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন সরকারের নেতৃত্বে র‍্যাব এবং বনবিভাগের টিম বনাঞ্চল পরিদর্শন করেন। 

এসময় কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জাধীন মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান এবং খুটাখালী পাগলির বিল এলাকার অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের স্পটগুলো ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন,  কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগ, সহকারী বন সংরক্ষক প্রান্তোষ চন্দ্র রায়, ফুলছড়ি ও ফাঁসিয়াখালি রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তাগণ ও স্টাফগন, বন বিশেষ টহল দল।
র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. খায়রুল ইসলাম বনাঞ্চলের ভিতর থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন বলেন, বন ও বনভূমি রক্ষায় বন বিভাগের সাথে র‍্যাব সব সময়
আছেন। বনবিভাগকে রক্ষার জন্য সব সময় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, বনের ভিতরে বালু ইজারার নামে ধ্বংস করা হচ্ছে বনভূমি। স্থানীয় দখলবাজ ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এসব ঘটনার সাথে জড়িত ছিল।
কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের খুটাখালী বনবিটের আওতাধীন ফান্ডাছড়ি, ধইল্লাঝিরি, নহরফারি, গৈয়ালমারা, পাগলির বিল, মধুরশিয়া পাহাড়ের বালি, মাটি শেষ হওয়ার পথে। দখলবাজচক্রের হাতে ধ্বংসপ্রায় সবুজ প্রকৃতি।
স্থানীয়রা বলছেন, বিস্তীর্ণ বনভূমিতে রাজত্ব করছে চিহ্নিত বনখেকোরা।  
ছরাখাল ও পাহাড়ের পাদদেশ থেকে অবাধে চলছে বালু উত্তোলন। দখলবাজদের ছায়া হয়ে আছে রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতারা। 
শ্যালো মেশিন (ড্রেজার) বসিয়ে ছরা থেকে অবৈধভাবে বালু তোলার কারণে আশপাশের এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।
কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগীয় কর্মকর্তা আনোয়ার এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগীয় কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, আমরা ইতোমধ্যে বেশ অনেকবার অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম ধ্বংস করেছি। মামলাও হয়েছে। তবু দমানো যাচ্ছে না। 
ডিএফও আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, সীমিত জনবল, লজিস্টিক সাপোর্ট নিয়ে অভিযান চালানো ও বনজসম্পদ রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই যৌথ অভিযানের জন্য জেলা প্রশাসন,র‌্যাব-১৫ সহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে ।