বানারীপাড়ায় ঝড় বৃষ্টিতে ভাসছে ক্ষেত কাঁদছে কৃষক

বানারীপাড়ায় ঝড় বৃষ্টিতে ভাসছে ক্ষেত কাঁদছে কৃষক
ছবি: সংগৃহীত

নাহিদ সরদার, বানারীপাড়া প্রতিনিধি।। বরিশালের বানারীপাড়ায় কৃষকদের ঘরে আনন্দ লেগেই থাকবে এমনটাই প্রত্যাশা সকল কৃষকদের। অধির আগ্রহে বসে আসে ফসল পাকার অপেক্ষায়। সর্বোপরি ফসল কেটে ঘরে তুললেই প্রশান্তি শান্তিতে হবে। কিন্তু সেই ফসল ঘরে তুলতে না পাড়লে সারা বছরের পরিশ্রমই বিফল। আর ঠিক সে রকমই ঘটতে চলছে বানারীপাড়ায়।

এই উপজেলায় মাঠে সোনালী ফসল থাকলেও ঝড় বৃষ্টিতে ঘরে তুলতে পারছে না কৃষক, পাশাপাশি শ্রমিক সংকট প্রচুর। এ দুয়ে মিলে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। হঠাৎ হঠাৎ দমকা হাওয়ায় ধান শুয়ে জমিতে মিশে যাচ্ছে যা কৃষকদের কাটার জন্য কষ্ট সাধ্য ব্যাপার। এতে সময় লাগে তিন থেকে চার গুন। তাই শ্রমিক খরচ বেড়ে যায় বহু গুনে। দমকা হাওয়ার পাশাপাশি বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে যায় এতে শুয়ে পড়া ধান পানিতে ডুবে যায়।


এ অবস্থায় কাটতে না পাড়লে ধানে গজ ( অংকুর) বের হয়ে যেতে পাড়ে। আবার ধান ঘড়ে তুলতে পারলেও বিপদ থেকেই যায়। বৃষ্টি ও মেঘের কারণে রোদের দেখা পাওয়া যায় না। তাই ধান শুকাতে সমস্যা হয়। ভেজা ধান শুকিয়ে না রাখলে পচে যেতে পাড়ে। সব বাঁধা পেড়িয়ে আসার পড়ও বিপত্তি যেন শেষ হয় না। বিক্রয়ের সময় সেটা সামনে চলে আসে। দালাল, মজুদদার সহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানির পড় বিক্রয় করতে গিয়েও দাম পায় না কৃষকেরা। পাশাপাশি ঠিক মত শুকাতে না পারায় চাল তৈরিতে তার প্রভাব দেখা দিবে। সরকারি ভাবে ধান কেনা হলেও সে পর্যন্ত অপেক্ষার সময় নেই। তাই দালালদের হাতেই জিম্মি কৃষক। কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, তাই কৃষকদের পাশে সরকার সব সময়ই আছে। বিভিন্ন সময় বিনামূল্যে সার, বীজ বিতরণ করা হয়। এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কৃষক সামনে কৃষিকাজে উদ্বুদ্ধ হবে।