বাংলাদেশের মফস্বল সংবাদপত্রে সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের মফস্বল সংবাদপত্রে সম্পাদকীয়
ছবিঃ সংগৃহীত
সম্পাদকীয় হল একটি পত্রিকার নীতি নির্ধারণী নিবন্ধ। এটি সংবাদ সুলভ তবে তথ্যের বিচার ও মন্তব্য ভিত্তিক। কোন বিষয় সম্পর্কে দিক নির্দেশনা মুলক মতামত এ নিবন্ধে বর্ণিত বা প্রতিফলিত হয়। দুই বা ততোধিক নির্দিষ্ট কলাম থাকে সম্পাদকীয় এর জন্য। সেখানে কোন বিষয়ের উপর সংবাদপত্রের সর্বোচ্চ স্তর বা সম্পাদকের দপ্তরে মন্তব্য নির্ভর বক্তব্য প্রকাশিত হয়। সেই নিবন্ধটিতে বলা হয় সম্পাদকীয়। 
মফস্সল এলাকা থেকে যে সব পত্রিকা প্রকাশিত হয় তার অধিকাংশ পত্রিকার সম্পাদক মহোদয়দের সম্পাদকীয় লিখতে হয়না। প্রেস কাউন্সিল আইন অমান্য করে নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদিত প্রেসে পত্রিকা না ছেপে,ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় পত্রিকার মফস্সল সংবাদ কর্মীদের মত সংবাদ সংগ্রহ করে তা তৈরি করে e-mail অথবা fax মাধ্যমে পাঠানো।
ঠিক সে কাজ করেন মফস্সল এলাকার সম্পাদক মহোদয়গন। তারা ও ঢাকায় কোন একটা প্রেসে একই ভাবে কয়েকটি news পাঠিয়ে দিয়ে থাকেন। প্রেসকর্মীরা সেখানকার কোন একটি পত্রিকার ভেতরের পাতার প্লেট দিয়ে মফস্সল থেকে প্রকাশিত কয়েকটি পত্রিকা ছাপিয়ে দিয়ে সংবাদ পত্রের গাড়িতে মফস্সলে পাঠিয়ে দেন।
আর সেটাই মফস্সলের স্থানীয় পত্রিকা হিসাবে প্রকাশ হয়। অধিকাংশ পত্রিকা আইন অমান্য করে এবং সম্পাদকীয় লেখার অযোগ্য সম্পাদক হলেও প্রকাশ্যে চলছে অনিয়ম ও অযোগ্যতার খেলা। কিন্তু দেশের প্রতিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি শাখা তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত থাকলেও তা কতটুকু তদারকি হয়... ?  তা নিয়ে ভাববার বিষয়।
এস এম আওলাদ হোসেন।
লেখক ও সাংবাদিক।