মামীর সাথে পরকিয়ায় কলহ: নৃশংস ভাবে জবাই করে হত্যার স্বীকারোক্তি ভাগ্নের

মামীর সাথে পরকিয়ায় কলহ: নৃশংস ভাবে জবাই করে হত্যার স্বীকারোক্তি ভাগ্নের
ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।। কিশোরগঞ্জে মামিকে জবাই করে হত্যার দায়ে ভাগ্নেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ভাগ্নে মো. মামুন হত্যার ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

নিহত রেকসোনা আক্তার (৩০) গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ওয়াসীমুদ্দিন ছাত্রাবাসের বিপরীতের একটি বাসায় স্বামী মো. তাইজুল ও তিন শিশুসন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন।

গত ২৪ জুলাই ২০২২ রবিবার কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদুল আমিন ১৬৪ ধারায় মামুনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। দুপুর ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ঘাতক মো. মামুন কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের হারুয়া কলেজ রোড ক্লাসিক গলির সোহরাব উদ্দিনের ছেলে।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মাদ দাউদ আসামি মো. মামুনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার, ২৩ জুলাই দুপুর ২টার দিকে জেলা শহরের হারুয়া কলেজ রোড এলাকায় ওয়াসীমুদ্দিন ছাত্রাবাসের বিপরীতে নৃশংস এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে।খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত মামুনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা বলছে অভিযুক্ত মামুন তার মামা তাইজুলের বাড়িতে প্রায়ই আসা-যাওয়া করতো। মামুনের সাথে মামী রেকসানার পরকিয়ার সম্পর্ক ছিলো। নিহত রেকসানার সাথে মামুনের কলহ চলছিলো। তারই জেরে মামুন তার মামীকে হত্যা করেছে বলে স্বামী তাইজুল ইসলামসহ স্থানীয়রা ধারণা করছেন।

এ ব্যাপারে নিহত রেকসোনার স্বামী মো. তাইজুল বাদী হয়ে মামুনকে একমাত্র আসামি করে শনিবার (২৩ জুলাই) রাতে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করেন।