মহিমাগঞ্জের সেই প্রসাধনী কারখানাটি বন্ধ হয়নি; ভোক্তা অধিকারের মাত্র ১০ হাজার টাকা জরিমানা

মহিমাগঞ্জের সেই প্রসাধনী কারখানাটি বন্ধ হয়নি; ভোক্তা অধিকারের মাত্র ১০ হাজার টাকা জরিমানা
ছবি: সংগৃহীত

আবু তাহের, স্টাফ রিপোর্টার।।সাবান, হ্যান্ড সেনিটাইজার, তেল, লোশন, স্পট ক্রিম, রং ফর্সাকারী ক্রিম সবই উৎপাদন ও প্যাকেটজাত হচ্ছে কারখানায়, নেই  সাইনবোর্ড, বিএসটিআই সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ল্যাব ও কেমিস্ট তবুও বন্ধ হয়নি কারখানা;  তবে জেলা ভোক্তা অধিকার করেছে ১০ হাজার টাকা জরিমানা। এমন ঘটনায় গুঞ্জন উঠেছে সর্বত্র।
জানা যায়, গত সোমবার (২৭ জুন) বিকালে সাংবাদিকরা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জের শ্রীপতিপুর কর্মকার পাড়ায় একটি অবৈধ প্রসাধনী কারখানার গোপন খবর পায়। সরেজমিনে সেখানে একাধিক টিভি চ্যানেল ও প্রিণ্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত হয়ে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে। এসময় কারখানা মালিক আহসান হাবিব চপল উচ্ছৃঙ্খল আচরণে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করে। সোমবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী সাংবাদিক বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় লিখিত এজাহার জমা দেয়। যা তদন্তাধীন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইজার উদ্দিন।
এদিকে মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে জেলা ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা ওই কারখানায় উপস্থিত হয়ে প্রসাধনী পণ্য উৎপাদন স্থানের মিল না পাওয়ায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। তবে কারখানাটির অন্যান্য দপ্তরের কাগজপত্র না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তা আব্দুস সালাম।
অপরদিকে কাগজপত্র না থাকায় ওই কারখানাটি সিলগালা না করায় স্থানীয় ও সচেতনমহলের মধ্যে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।কারখানাটির সাইনবোর্ড না থাকা, বিএসটিআই সহ কোনো কাগজপত্র না রাখা, ল্যাব-কেমিস্ট ও মান যাচাইয়ের ব্যবস্থা না থাকায় সংবেদনশীল এমন পণ্য উৎপাদন ও ব্যবহারে মানবদেহে ক্যান্সারসহ নানা রোগের সৃষ্টি করছে বলে তাদের ধারণা। তারা দ্রুত কারাখানাটি সীলগালাসহ এর মালিক দাবিকারী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।