মৌয়াগাছ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত

মৌয়াগাছ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত

মৌয়াগাছ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত

স্টাফ রিপোর্টার।। চারিপাশে প্রকৃতির মনোরম দৃশ্য, মাঝখানে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সরেজমিন ও  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করলে যে কোন প্রকৃতি প্রেমিক মানুষের মন জুড়িয়ে যাবে।

রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার গোপিনাথপুর ইউনিয়নের, মৌয়াগাছ গ্রামের মটারের পাড় সংলগ্ন নির্মিত ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির নাম মৌয়াগাছ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এটি ওই এলাকার শিক্ষানুরাগী ও সমাজে এক জন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত ব্যক্তি মজিবর সরকার নারী শিক্ষাকে প্রসারের লক্ষে, ১৯৯৯ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত করেন। শুরু থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এদিকে, এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলের গাছ রয়েছে। যা ছাত্রীরা ফলের মৌসুমে তৃপ্তি সহকারে ফল খেয়ে থাকে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির পাশে রয়েছে একটি ঐতিহ্যবাহী বিল। যা উক্ত এলাকায় ঝলঝলি বিল নামে বিখ্যাত।  এখানে আরো রয়েছে সুস্বাস্থ্যের জন্য একটি অত্যাধুনিক ওয়াস রুম। সেখানে কিশোরী ছাত্রীদের বয়সন্ধিঃকালে স্বাস্থ্য  বিষয়ক সকল ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা নিয়মাবলী লেখা রয়েছে। লেখাগুলো হলো,এখানে মাসিকের জন্য ব্যবহৃত কাপড়টি ভালভাবে ধুয়ে নিবো, কাপড় ধোয়ার পর ধোয়ার স্থানটি অপরের ব্যবহারে উপযোগী করে রাখবো। ব্যবহৃত কাপড়/ ন্যাপকিন নির্দিষ্ট স্থানে ফেলি। পায়খানা করার পর দুই হাত সাবান দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে নিবো। আমার হাতই আমার সুস্বাস্থ্য ও পানি খাবার আগে পানির পাত্রটি অবশ্যই সাবান দিয়ে ধুয়ে  নিবো ইত্যাদি আরো অনেক সুস্বাস্থ্য সচেতনামূলক পরামর্শ লেখা আছে। বিদ্যালয়টির ঝলঝলি বিলের সাথে নির্মিত হয়েছে একটি শহীদ মিনার। কিন্তু ২০১৬ সালে নির্মানাধীন অবস্থায় শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে পড়ে গেলেও কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পরও এখনো মেরামত  হয়নি। এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজিবর রহমান সরকারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, শহীদ মিনারটি মেরামতসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক ভবন জরুরী হয়ে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, আমি আমার এলাকায় নারী শিক্ষাকে ভালভাবে আলোকিত ও প্রসারিত করার লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছি। উল্লেখ্য এমপিও ভুক্ত উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যয়নরত রয়েছে এবং ১১ জন শিক্ষক শিক্ষিকা ও ৩ জন কর্মচারী রয়েছেন। এদের মধ্যে দুই জন বাদে সকলেই এমপিও ভুক্ত।