ময়মনসিংহে মশা নিধনে মেয়রের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ

ময়মনসিংহে মশা নিধনে মেয়রের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ
ছবিঃ সংগৃহীত

শাহরিয়ার রিয়াদ,ময়মনসিংহ, ২৫ এপ্রিল।।ময়মনসিংহে জৈবিক উপায়ে মশক নিধনের কার্যক্রমের আওতায় কোতয়ালী থানার ২ নং পুলিশ ফাঁড়ির সম্মুখের ড্রেনে এবং শিল্পকলা একাডেমি পাশ্ববর্তী খালে  রবিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে মশক লার্ভা ধ্বংসকারী ব্যাঙ অবমুক্ত করেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু। এ সময় মেয়র আজকাল বাংলাকে বলেন, নাগরিকদের জীবন সহজ করার স্বার্থে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।লার্ভিসাইড ও এডাল্টিসাইড প্রয়োগের সাথে সাথে মশক নিধনে অনেক আগে থেকেই জৈবিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।গতবছর বিভিন্ন ড্রেনে- জলাশয়ে মশক লার্ভা খেকো মাছ ছাড়া হয়েছে। এ বছর অবমুক্ত করা হচ্ছে মশক লার্ভা ধ্বংসকারী ব্যাঙ।মেয়র জানান, জৈবিক উপায়ে মশক নিধনে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ অনুযায়ী ব্যাঙ ছাড়াও মশক লার্ভা খেকো মাছ,আবদ্ধ জলাশয়ে হাঁস এবং মশক নিধনে সহায়ক উদ্ভিদ রোপনের পরিকল্পনা ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের রয়েছে।তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমে ফলে গত কয়েক বছরে এখানে ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যায়নি। তবে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। কারন ডেঙ্গু মশার উৎপত্তিস্থল আমরাই সৃষ্টি করি। আমারা নির্মাণাধীন ভবন, চিপসের প্যাকেট,পরিত্যক্ত টায়ার,ফেলে দেওয়া দইয়ের পাতিল ইত্যাদি  যদি ঠিকমত ব্যবস্থাপনা না করি তবে সেখানে এডিস মশার জন্ম হতে পারে। আমাদের আঙিনা অপরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে কিউলেক্স মশার ক্ষেত্র আমরাই তৈরি করি। সার্বিক মশক নিধনে সফলতায় সকলের সচেতনতার কোন বিকল্প নেই।উল্লেখ্য, জৈবিক উপায়ে মশক নিধন কার্যক্রমের আওতায় আজ ৪ হাজার ব্যাঙ অবমুক্ত করা হয় এবং ইতোপূর্বে বিভিন্ন জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে প্রায় ৬ হাজার ব্যাঙ।এ অনুষ্ঠানে সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলর সেলিনা আক্তার, ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু, ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ শরিফুল ইসলাম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এইচ কে দেবনাথ, জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ মহাবুল হোসেন রাজীব, খাদ্য ও স্যানিটেশন কর্মকর্তা দীপক মুজমদারসহ সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারিবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।