রাঙ্গাবালীতে সংঘর্ষে ০৩ নারী সহ ষাটোর্ধ বৃদ্ধ আহত

রাঙ্গাবালীতে সংঘর্ষে ০৩ নারী সহ ষাটোর্ধ বৃদ্ধ আহত
ছবিঃ সংগৃহীত

মোঃমাজহারুল ইসলাম মলি।।গলাচিপা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।। পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ০৫ নং ওয়ার্ডে সামান্য ছাগল তাড়ানোকে কেন্দ্র করে ০৩ নারী সহ ষাটোর্ধ এক বৃদ্ধ আহত। আহতরা হলেন ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ০৫ নং ওয়ার্ডের মোঃ নূর হোসেন প্যাদা(৬০),পিতাঃমৃত আইনুদ্দিন প্যাদা,মোসাঃনিলুফা বেগম(৪৫),স্বামীঃনূর হোসেন প্যাদা,মোসাঃনাছিমা(৩৫) বেগম,স্বামীঃমোঃনাসির প্যাদা ও মোসাঃখাদিজা আক্তার মনিরা(১৪), পিতাঃমোঃনাসির প্যাদা।ঘটনা ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ০৯/১২/২০২১ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় নাছিমা বেগম রাঙ্গাবালী থানার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের তিল্লা সাকিনস্থ প্যাদা বাড়ির দক্ষিণ পাশে জমিতে তাহার পালিত ছাগল নিয়ে যাওয়ার সময় ০১ নং বিবাদী মোঃবাবু হাং(২০),পিতাঃখোরশেদ হাং এর সাথে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়।তখন সকল বিবাদীরা উত্তেজিত হইয়া নিলুফা বেগম কে এলোপাতাড়ি মারপিট করে নিল ফুলা যখম করে। তার ডাক চিৎকারে তার শশুর নূর হোসেন প্যাদা তাকে বাঁচানোর জন্য আসলে বাবু হাং বাশের লাঠি দ্বারা তার কপালে সজোড়ে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত যখম করে তার পকেট থেকে ধান বিক্রির ২৫,০০০ টাকা নিয়ে যায় এবং পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।তারা বর্তমানে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ষাটোর্ধ বৃদ্ধ মোঃনূর হোসেন প্যাদা গণমাধ্যম কে জানান,আমাকে এবং আমাদের পরিবারকে হত্যা করার উদ্দেশ্য খোরশেদ আলমের ছেলে বাবু হাং আমাকে, আমার স্ত্রী, আমার পুত্রবধূকে এবং  ১৪ বছর বয়সী নাতনীকে মারাত্মক ভাবে যখম করে।বর্তমানে আমরা গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছি।আমরা এর যথাযথ বিচারের জোর দাবী জানাই।এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, মামলা নং০২,০৯/১২/২০২১ ইং।মামলায় বিবাদীরা হলেন,১।মোঃবাবু হাং(২০),পিতাঃখোরশেদ হাং,২।মোরশেদ হাং(৬৫),পিতাঃমৃতঃকাশেম আলী হাং, ৩।মোঃনাচ্চু ফকির,পিতাঃমৃতঃআঃ মজিদ ফকির,৪।মোঃফিরোজ ফকির,পিতাঃমৃতঃআঃমজিদ ফকির সর্ব সাং তিল্লা,০৫ নং ওয়ার্ড, ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন,থানাঃরাঙ্গাবালী,জেলাঃপটুয়াখালী।