লকডাউনের ৮ম দিনে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান,জরিমানা

লকডাউনের ৮ম দিনে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান,জরিমানা
ছবিঃ সংগৃহীত
এস এম আওলাদ হোসেন, সিনিয়র রিপোর্টার।। ০৮ জুলাই, বৃহস্পতিবার।। কোনভাবেই জনস্রোত কমানো যাচ্ছে না, সাধারন মানুষ কারনে অকারনে বিভিন্ন অজুহাতে ঘর থেকে বের হচ্ছেই। বর্তমান বৈশ্বিক সমস্যা করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকার কর্তৃক ঘোষিত লকডাউনের ৮ম দিনে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন চন্দ্রগঞ্জ বাজারে আকস্মিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচারনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিপামনি দেবী।
বৃহস্প্রতিবার (৮ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। করোনাকালীন সময়ে সকল মানুষকে ঘরে থাকার ব্যাপারে সরকারীভাবে নির্দেশনা দেওয়া আছে। তারপরও কিছু কিছু ব্যবসায়ী যাদের দোকান খোলার কথা না তারাও দোকান খুলে বসে আছে এবং অনেক সাধারন মানুষ বিনা কারনে বাজারে এসে ঘুরাফেরা করছে।
ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালীন চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে ফজলুল হকসহ পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও ব্যাটালিয়ন আনসারের দায়িত্বশীল সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমান আদালতে চন্দ্রগঞ্জ নিউ মার্কেটের তামিম ফ্যামনের ৩ হাজার, মক্কা জেন্স ও বেবী গ্যালারীর ২ হাজার, বাজারের ভিতরের চট্টগ্রাম দরজা গ্যালারীর ২ হাজার, ইসলাম ফার্নিচারের ৩ হাজার, রহমান টাইলস্ এন্ড স্যাটিটারীর ৩ হাজার,   মায়ের দোয়া স্যাটিটারী ও টাইলস্ ৩ হাজার, ঢাকা দরজা গ্যালারী ৩ হাজার, ওয়ান ট্রেডার্স ২ হাজার এবং বিনাকারনে বাজারে আসার জন্য মোঃ ইদ্রিস আলম ও শিপন চন্দ্র দাস নামের দুই জনকে ২শত করে সর্বমোট ২৪ হাজার ৪শত টাকা জরিমানা করা হয়।
প্রসংগত  বাংলাদেশ সরকার করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমানোর জন্য গত ২৮জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে লকডাউন ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ১লা জুলাই থেকে ৭ জুলাই কঠোর লকডাউনের নির্দেশনা জারি করেন। এই লকডাউনের সময় বর্ধিত করে আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমিয়ে আনা যায়।
এসময় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিপামনি দেবী সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে এবং বিনা কারনে ঘর থেকে বের না হওয়ার ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা গুলো বার বার স্মরণ করিয়ে দেন।