লক্ষ্মীপুরের প্রয়াত নুরুল ইসলাম (বাবুল) চেয়ারম্যানের পরিবারের মানবেতর জীবন যাপন

লক্ষ্মীপুরের প্রয়াত নুরুল ইসলাম (বাবুল) চেয়ারম্যানের পরিবারের মানবেতর জীবন যাপন
ছবিঃ সংগৃহীত
এস এম আওলাদ হোসেন, সিনিয়র রিপোর্টারঃলক্ষ্মীপুর সদর উপজেলাধীন ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের প্রয়াত নুরুল ইসলাম বাবুল চেয়ারম্যানের পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে। স্কুল কলেজ পড়ুয়া তিন ছেলে মেয়েকে নিয়ে স্ত্রী নাহিদা আক্তার লাভলী কঠিন যুদ্ধে নেমেছেন।
২০২০ সালের ১৬ আগষ্ট করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা নেওয়ার পথে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।তিনি ছিলেন করোনা কালীন সময়ে সম্মুখ সারির যোদ্ধা।
আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতির সাথে জড়িত নুরুল ইসলাম বাবুল লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে পরিবারটি গভীর সংকটে পড়ে।
প্রয়াত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলের বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস নাঈমা লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে ম্যাথমেটিক্সে অনার্সে পড়েন। একমাত্র ছেলে নাজমুল ইসলাম সিপাত প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২১ সালের এস এস সি পরীক্ষার্থী, ছোট মেয়ে ফারহানা ইসলাম ও একই বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে পড়ে।
ছেলে মেয়েদের পড়ালেখার খরচ সংসার খরচ চালাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন প্রয়াত করোনা যুদ্ধা নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী। অন্যদিকে বসত ঘরটিও জর্জরিত অবস্থা। একটু বৃষ্টি হলেই পানি পড়ে ঘরের ভিতর আসবাবপত্র ভিজে যায়।
এদিকে দলীয় ভাবে সাহায্য সহযোগিতাতো দূরের কথা একটু খোঁজ – খবরও কেউ নেন না।
মৃত্যু পর যৎসামান্য সহযোগিতা দেনা- পাওনায় খরচ হয়ে যায়।
আত্নীয় স্বজনদের মধ্যে চেয়ারম্যানের প্রবাসি ভাতিজা ফয়েজুল ইসলাম রিপন পরিবারটিকে কিছুটা সহযোগিতা করে বলে জানান বাবুলের স্ত্রী।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. নুরুউদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি বলেন, চেয়ারম্যানের মৃত্যুর পর আমি পরিবারটিকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছি, ভবিষ্যতে ও সহযোগিতা করবো।