শিক্ষামূলক ও তথ্যভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল Touhid Vibes এর যাত্রা শুরু

শিক্ষামূলক ও তথ্যভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল Touhid Vibes এর যাত্রা শুরু
ছবিঃ সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট।। ২০ অক্টোবর।। জনপ্রিয় অনলাইন পোর্টাল দৈনিক আজকাল বাংলার স্টাফ রিপোর্টার ও কলাম লেখক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম ভার্চুয়াল মাধ্যমে পরিচিত একটি মুখ। মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তথ্যভিত্তিক ও শিক্ষামূলক ইউটিউব চ্যানেল- “Touhid Vibes” আত্মপ্রকাশ করলো। ইউটিউব অথবা গুগোলে Touhid Vibes লিখে সার্চ দিলেই দর্শক চ্যানেলটির ফেসবুক পেজ সহ সকল তথ্য পেয়ে যাবেন।

তিনি একজন সমাজকর্মী এবং পেশাগতভাবে স্বাস্থ্য বিভাগের সাথেও তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ইউটিউব চ্যানেল সম্পর্কে জনাব তৌহিদুল ইসলাম বলেন- শারীরিক স্বাস্থ্যকে নিশ্চিত করতে হলেও চাই মানসিক সুস্থতার নিশ্চয়তা। একুশ শতকে এসেও বাংলাদেশের মানসিক রোগ ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষার বিষয়টি জনসাধারনের কিছু অংশের কাছে এখনো অত্যন্ত অবহেলায় এবং একান্ত অগোচরেই থেকে গেছে।

মানসিক বিভিন্ন সমস্যাকে অবহেলার কারনে সমাজে আত্মহত্যার প্রবনতা, মাদক গ্রহণসহ নানাধরনের সামাজিক সমস্যা, দ্বন্দ, সন্ত্রাস, বিবাহ বিচ্ছেদ ইত্যাদি বেড়েই চলেছে। যা নিরসনের জন্য চাই মনোবিজ্ঞান সম্পর্কে ব্যবহারিক ও কার্যকরী জ্ঞান।

তিনি মনে করেন, বর্তমানে শক্তিশালী প্রচারমাধ্যমগুলোর দ্বারা ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলাই হতে পারে মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষার অন্যতম কার্যকরী পন্থা। তারই ধারাবাহিকতায় “life is good” স্লোগান নিয়ে “Touhid Vibes” ইউটিব চ্যানেল এবং “Touhid Vibes” ফেসবুক পেজটি খোলা করা হয়ছে।

তিনি বলেন- যেহেতু আমি ডাক্তার নই তাই সরাসরি কোন চিকিৎসা পন্থা নিয়ে আলোচনা করাটা সমীচীন নয়। বরং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যভিত্তিক গঠনমূলক আলোচনাদির সাথে মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষার বিষয়টিও “Touhid Vibes” চ্যানেলটির মাধ্যমে জনসাধারনের কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রয়াস চালিয়ে যাবো। সমাজের, পরিবারের কেউ উপকৃত হলে এতেই চ্যানেলটির স্বার্থকতা বলে তিনি মনে করেন।

রংপুরে জন্মগ্রহণকারী জনাব তৌহিদুল ইসলামের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোস্তফা কামাল ছিলেন সমাজের একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। তাঁর মা মিসেস তহুরা কামাল একজন সফল গৃহিণী। সহধর্মিণী মিসেস শবনম মোস্তারীর উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা তার সবসময়ের সঙ্গী।

জনাব তৌহিদুল ইসলাম সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। তিনি নিজের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সমাজের জন্য, দেশের জন্য সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখার প্রত্যয়ে কাজ করে যেতে চান।