শুদ্ধাভিযানের সাথে আছি আমি - দৈনিক আজকাল বাংলা

শুদ্ধাভিযানের সাথে আছি আমি -  দৈনিক আজকাল বাংলা

বিদেশীদের সংস্কৃতি হচ্ছে মদ,ভ্রষ্টা নারী নিয়ে ভোগ বিলাস বাঙ্গালীর কাছে তা অপসংস্কৃতি। এই অপসংস্কৃতির শিকারে আজ প্রগতির ধারায়, অত্যাধুনিকতার করাল গ্রাসে, নারীকুল আজকাল মাতৃত্ববোধহারা হয়ে নারী চরিত্রের আসল সম্পদ সতীত্বের কথা ভুলেই গেছে।

বাঙ্গালী ধর্মপ্রবণ তাই মদ ভ্রষ্টা নারী, চলমান কোভিড-১৯ এর চেয়ে বিষাক্ত। এ অবস্থা চলতে থাকলে প্রজন্মান্তর আজকের আলোচিত নষ্টা পরীমনির জোয়ারে বাঙ্গালী নারীকুল প্রভাবিত হবে। তাই আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে দোষারোপ না করে সচেতন মহল সমর্থন জানান যেন এ অভিযান সর্বাবস্থায় সর্বসময় চালু থাকে।

পরীমনির দেহ সৌন্দর্য বেশভূষা শিল্পী জগতকে কলংকিত করেছে। ফেসবুকে যে ভাবে যে পোষাকে লাইভে কথা বলেছে তা অশালীন আপত্তিকর এবং তার কান্নাকাটি ও নষ্টামির ভাবমূর্তির বহিপ্রকাশ। সে বিদেশে গিয়েও বিদেশী পুরুষদের সাথে দেহব্যবসা করে কোটি- কোটি টাকার মালীক হয়েছে। আমার অভিমত যেসব ক্লাবে মদ আর ভ্রষ্টা নারীর মেলামেশায় বাঙ্গালীর পরিবার, সমাজ, সংস্কৃতি, ধর্ম বিনষ্টের সু ব্যাবস্থা রয়েছে সেই ক্লাবগুলোতে ও শুদ্ধাভিযান চালিয়ে, বন্ধ করার কার্যক্রম পরিচালনায় আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার সন্মতি প্রভাবিত হোক। আজ দেখতে পেয়েছি বিতর্কিত নারী তসলিমা নাসরিন পরীমনির সমস্থ কর্মকান্ডের প্রতি সমর্থন জানিয়ে নির্দোষ প্রমানিত করার প্রয়াস চালিয়েছন। যে তসলিমা নাসরিন ধর্মীয় চেতনাকে খাট করে দেশ ছেরে বিদেশে গিয়ে বই লিখে বিদেশীদের মনোরঞ্জন করছেন তার চেতনায় বাঙ্গালীত্ববোধ নেই।

আমি ময়মনসিংহ শহরে থেকে ছাত্রজীবন চলাকালীন সময়েই থাকে চিনি তার বাসার কাছাকাছিই আমি ছিলাম যার জন্য তার মন্তব্য ভিত্তিহীন। এদিকে স্বদেশের গুনীজন যারা বিদেশবাসী আচরনে আচরিত হয়ে অপসংস্কৃতির ধারায় প্রবাহিত হয়ে পরীমনির পাশেথেকে কথা বলছেন এবং প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তা ও আমি নৈতিকভাবে মেনে নিতে পারছি না। তবে একটি কথা ঠিক পরীমনির সাথে যারা নষ্টামি পথচলায় যুক্ত ছিলো তাদের ও আইনের আওতায় আনা হোক তাদের ও সঠিক বিচার হোক।। অস্থায়ী ক্ষমতার প্রভাবে যেন তারা যথাযথ অবস্থায় অবস্থান করতে না পারে এদিকটা যুক্তকর বটে। পরীমনির বিচার্যবিষয় এখন আইনের অধীন যা হবার আইনী প্রক্রিয়াগত ভাবেই হবে তা নিয়ে অনেকের বিতর্কিত মতামত প্রকাশে কোন লাভ নেই।। তারপর জাগতিক বিচারান্তের পর পরমার্থিক বিচারে ও চরিত্রভ্রষ্টাদের শাস্তি রয়েছে সুনিশ্চিত। তা নারী পুরুষ সবার জন্যই একই বিধান। ধর্মীয় বিধানে রয়েছে বিবাহিত স্ত্রী ভিন্ন বীর্যপাত করাই পাপাচার শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ইসলাম ধর্মে ক্ষমতানুযায়ী ৪ টি বিবাহের বিধান রয়েছে, তবে কেন এত পরকীয়ার প্রভাবে প্রভাবিত নারীপুরুষ।। বিদেশীদের অপসংস্কৃতি আজ বাঙ্গালীর স্বাতন্ত্র্যবোধে চরম আঘাত হানছে তা থেকে পরিত্রাণ চাই চাই চাই। চলমান অভিযানই একমাত্র শুদ্ধাভিযান।।

শ্রী অরবিন্দ ধর,

সিনয়র কলামিস্ট 

নেত্রকোনা