শোষণ মুক্ত  সমাজ বিনির্মানের অকুতোভয় সৈনিক ছিলেন ডাঃ সামসুর রহমান 

শোষণ মুক্ত  সমাজ বিনির্মানের অকুতোভয় সৈনিক ছিলেন ডাঃ সামসুর রহমান 
ছবিঃ সংগৃহীত

মানিকগঞ্জ থেকে মো. নজরুল ইসলাম।। ৩০ আগস্ট, সোমবার।। "বিপ্লবী আদর্শের বাতি জ্বলছে জ্বলবেই" এই স্লোগানকে সামনে রেখে জুম প্লাটফর্মের মাধ্যমে আজ সন্ধ্যা ৭.৩০- ৯.০০ ঘটিকা পর্যন্ত মানিকগঞ্জ স্মৃতি ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে মানিকগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যেবাহী পরিবারের কর্ণধার ভাষা সংগ্রামী মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রগতিশীল দেশপ্রেমিক রাজনীতিক গরিবের ডাক্তার প্রয়াত ডাঃ সামসুর রহমান স্মরণে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

 স্মৃতিচারণ সভায় সংগঠনের সভাপতি জনাব ইকবাল হোসেন কচি এর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সদস্য সচিব বিমল চন্দ্র রায় এর সঞ্চালনায় মহান এই ব্যাক্তির জীবন ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন তার সুযোগ্য বড় পুত্র সাবিস এর সভাপতি  বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম ফারুক। আলোচনায় আরো কিছু যুক্ত করেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির জেলা কমিটির সভাপতি এ্যাড. দিপক কুমার ঘোষ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ  প্রফেসর উর্মিলা রায়, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি মানিকগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মজিবুর রহমান মাস্টার, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সদর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ইকবাল খান,হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এর জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক আশুতোষ রায়, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক বিশ্লেষক জনাব শহিদুল ইসলাম চপল, সাংবাদিক প্রগতিশীল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক কর্মী কমরেড মনজুরুল ইসলাম বাবু,বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, উন্নয়নকর্মী রাশেদা আক্তার, মুক্তার হোসেন, শাহিনুর রহমান প্রমুখ। 
বক্তারা বলেন তিনি খুবই সম্ভান্ত্র পরিবারের সদস্য ছিলেন। ভারতের কলকাতায় তার জন্ম। তার বাবা ঐ আমলের পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন।  ভারতের বামপন্থী অান্দোলনের পুরোধা কমরেড মুজাফফর আহমদ এর সাথে তার ছিল বেশ সখ্যতা। তার মাধ্যমেই তিনি বাম গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারায় জরিয়ে পরেন। মানিকগঞ্জ শহর তাদের পৈত্রিক ভিটা। তিনি কলকাতা থেকে ডাক্তারি পড়া শেষ করে দেশে এসেই সমাজতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মানের আন্দোলন সংগ্রামে জরিয়ে পরেন এবং  সার্বক্ষণিক ভাবে সমাজের আমূল পরিবর্তনে কাজ করেন।রুটি রুজিরোজগারের সংগ্রামের জন্য চিকিৎসা পেশাকে বেছে নিলেও বেশিরভাগই বিনা পয়সা ও নামমাত্র ফি নিয়ে চিকিৎসা সেবা দিতেন।  তিনি আপাদমস্তক একজন মানবিক গুনাবলী সম্পন্ন মানুষ ছিলেন। আমরা তার আদর্শের উত্তরসূরী। তাই আমরা মনে করি বিপ্লবী আদর্শের বাতি জ্বলছে জ্বলবেই।