সাঘাটায় অবাধে তোলা  হচ্ছে নদীর বালু 

সাঘাটায় অবাধে তোলা  হচ্ছে নদীর বালু 
ছবিঃ সংগৃহীত

আবু তাহের।।  স্টাফ রিপোর্টার।। গাইবান্ধা, ২৬ এপ্রিল, সোমবার।। গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। অবৈধ এ বালু উত্তোলন বন্ধে নেই প্রশাসনের কোন নজরদারি। 

সরেজমিন উপজেলার বাঙ্গালী নদীর তীরে গিয়ে দেখা যায় অবৈধভাবে কাকড়ায় করে বালু ভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। 
সরেজমিনে আরো দেখা যায়, বাঙ্গালী নদীর প্রায় ১০টি পয়েন্ট থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে হাজার হাজার ঘনফুট বালু। এ পয়েন্ট গুলোর বেশিরভাগ রয়েছে বাঙ্গালী নদীর বিভিন্ন তীববর্তী এলাকায়। তাছাড়া কামালেরপাড়া ও কচুয়া ইউনিয়নের ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া বাঙ্গালী নদীর তীরবর্তি এলাকায় অবৈধ ড্রেজার মেশিন বসিয়ে তোলা হচ্ছে বালু। করোনাকালীন লকডাউনেও পুরোদমে চলছে তাদের এ কার্যক্রম। 
বালু খেকোরা প্রভাবশালীদের বলয়ে থাকায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। এলাকার চলাচলের রাস্তাগুলোও ধুলোয় অন্ধকার হয়ে থাকে। এসব কিছুর জন্য দায়ি বালু খেকোরা। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন- প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় নদী থেকে ডেজার মেশিন বসিয়ে ও কাকড়ায় বালু ভরাট করে দেদার্চে বিক্রী করছে বিভিন্ন এলাকায়। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের কিছু বলা সম্ভব হয় না। শুধু মুখ বুজে সহ্য করতে হচ্ছে। 
তথ্যানুসন্ধানে আরো জানাগেছে, কিংকরপুর গ্রামের জনৈক বালু খেকো- ভেকু দিয়ে দেদার্চে বালু তুলে বিক্রী করছে। এছাড়াও গজারিয়া গ্রামে জনৈক অপর এক বালু খেকো- দিনে ১৫ থেকে ২০ টি কাকড়া দিয়ে বাঙ্গালী নদীর তীরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বালু তুলে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রী করে আসছে। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অবৈধ কাকড়ার মালিকরা উক্ত নদীর তীর থেকে বালু তুলে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবাদ করার মত কেউ নেই। 
সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন- বাঙ্গালী নদী থেকে কাকড়া বোঝাই করে বালু উত্তোলন করে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।