সাঘাটায় মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতির জন্য সংবাদ সম্মেলন

সাঘাটায় মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতির জন্য সংবাদ সম্মেলন
ছবি: সংগৃহীত

আবু তাহের, স্টাফ রিপোর্টার।। গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার পটল পবনতাইড় গ্রামে পরকীয়ার টানে প্রেমিকের হাত ধরে পলাতক গৃহবধু পিতার দায়ের করা ২৫/১৭৭ নং মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ করাসহ মামলা থেকে অব্যহতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে শাকিল মিয়া নামে ভুক্তভোগির পরিবার।

 গতকাল বুধবার শাকিলের পরিবারের পক্ষে সাঘাটা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য 
পাঠ করেন তার মামাতো ভাই মোজাফ্ফর হোসেন।

মোজাফ্ফর হোসেন তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার ফুফাতো ভাই শাকিলের অনুমান  ২ বছর পূর্বে উপজেলার ছিলমানের পাড়া গ্রামের (মামলাবাদী)আমিরুল ইসলামের  কন্যা আম্বিয়ার সহিত সরকারী রেষ্ট্রিমূলে বিবাহ হয়। 

বিবাহের কিছু দিন পর হতে মোবাইল ফোনে অজ্ঞাত লোকের সাথে পরকীয়া সম্পর্ক করতে থাকে নববধু 
আম্বিয়া।

 স্ত্রীর পরকীয়ার প্রথম দিকে শাকিল সহ বাড়ির লোকজন তাকে মোবাইল  ফোনে পরকীয়া সম্পর্ক বন্ধ করতে বলে। কিন্তু আম্বিয়া বেগম এতে কর্ণপাত না  করে নিজের ইচ্ছামতো চলা ফেরা ও পরকীয়া সম্পর্ক আরো গভীর করে তোলে। 

ঘটনা  বেগতিক বুঝতে পেরে শাকিল তার স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি তার শ্বশুর- শ্বাশুরীকে অবগত করার পর আম্বিয়া বেগম গত ২৪/০৬/২০২২খ্রি: সকাল অনুমান  সাড়ে ৬ ঘটিকার সময় স্বামী শাকিলের বাড়ি থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ১ ভরি  ওজনের স্বর্ণলংকার একটি মোবাইল ফোন নিয়ে তার প্রেমিক ওবায়দুল ইসলামের 
হাত ধরে পালিয়ে আত্মগোপন করে।

 খোঁজাখুঁজি করে তাদের পাওয়া না গেলে 
২৬/০৬/২০২২খ্রি: শাকিল বাদি হয়ে সাঘাটা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। 

কিন্তু সে অভিযোগ আমলে নেয়নি পুলিশ। পরে আম্বিয়ার পিতাকে বাদী করে  সাঘাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ 
২০/০৭/২০২২খ্রি: ঢাকার একটি ভাড়াটিয়া বাসা থেকে আম্বিয়াকে উদ্ধার সহ 
তার প্রেমিক ওবায়দুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। অথচ আম্বিয়ার পিতা  আমিরুল প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে মেয়ের স্বামীর পরিবারকে আর্থিক  ক্ষতিগ্রস্ত সহ হয়রানীর করার অসৎ উদ্দেশ্যে থানা পুলিশের সাথে যোগসাজসে  চড়থাপ্পর মারার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন।

 যা সম্পূনর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ভিত্তিহীন, পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। 

আম্বিয়ার পিতা আমিরুল ইসলাম নিজের মেয়ের পরকীয়ার ঘটনা আড়ার করার জন্য থানা পুলিশের সাথে  যোগসাজসে আম্বিয়ার স্বামী শাকিল, শ্বাশুড়ী পারুল বেগমের বিরুদ্ধে চড়থাপ্পর মারার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছে বলে তার দাবি। 

আম্বিয়ার স্বামী শাকিলরের পক্ষে শাকিলের মামাতো ভাই মোজাফফর হোসেন পরিকল্পিত মিথ্যা মামলার  নিন্দা, তীব্রপ্রতিবাদ এবং এ মিথ্যা মামলা থেকে শাকিল এবং শাকিলের মা পারুল বেগমের অব্যহতি দাবি জানান।